অবশ্য বিশ্বকাপের মাঝ পথেই ছিটকে যেতে হয়েছিল স্টার্লিংকে। কলম্বোতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বড় ব্যবধানে হারের ম্যাচে ডান হাঁটুতে চোট পান তিনি। এরপর পুরো টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে যান, আর তার অনুপস্থিতিতে নেতৃত্বের দায়িত্ব নেন লরকান টাকার।
এক বিবৃতিতে ৩৫ বছর বয়সী স্টার্লিং বলেন, 'এই ফরম্যাটে আয়ারল্যান্ডকে নেতৃত্ব দেওয়া আমার জন্য অসাধারণ সম্মানের বিষয় ছিল এবং এটি করতে পেরে আমি ভীষণ গর্বিত। নিজের দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া একটি বিশেষ অধিকার, যার সঙ্গে বড় দায়িত্ব জড়িত। এই সময়ে যে বিশ্বাস ও সমর্থন পেয়েছি, তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।'
টি-টোয়েন্টি দায়িত্ব ছাড়লেও ওয়ানডে দলের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে যাওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন স্টার্লিং। আগামী বছর সাউথ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ডের জায়গা নিশ্চিত করাই এখন তার লক্ষ্য।
স্টার্লিং বলেন, 'আমি টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেও আয়ারল্যান্ড দলের প্রতি আমার প্রতিশ্রুতি অটুট থাকবে এবং আমি ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন চালিয়ে যাব। একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমার এখনো অনেক উচ্চাকাঙ্ক্ষা রয়েছে এবং আমি মনে করি এই সিদ্ধান্ত আমাকে নিজের সেরা পারফরম্যান্সে মনোযোগ দিতে সাহায্য করবে, যাতে মাঠে দলের জন্য সর্বোচ্চ অবদান রাখতে পারি।'
মোট ৪৮টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে নেতৃত্ব দিয়েছেন স্টার্লিং। এর মধ্যে দল জিতেছে ২০টি ম্যাচ, হেরেছে ২৬টি এবং দুটি ম্যাচের ফল হয়নি। ২০২৩ সালে অ্যান্ডি বালবির্নি অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পান তিনি, পরে একই বছরের শেষদিকে স্থায়ীভাবে এই দায়িত্ব তুলে দেয়া হয় তার হাতে।