জোন্সের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর বেশিরভাগই ২০২৩–২৪ মৌসুমে বার্বাডোজের ঘরোয়া টি–টেন আসর বিম-টেন টুর্নামেন্টকে ঘিরে। এই টুর্নামেন্টটি আবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুর্নীতিবিরোধী বিধির আওতাভুক্ত। পাঁচটি অভিযোগের মধ্যে দুটি আন্তর্জাতিক ম্যাচ সংশ্লিষ্ট। যা আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধির অধীনে পড়ছে।
ওয়েস্ট ইন্ডিজে জোন্সের বিরুদ্ধে ম্যাচের নির্দিষ্ট অংশ ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকা বা ফিক্সিংয়ের চেষ্টা, দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর প্রস্তাব গোপন রাখা এবং দুর্নীতিবিরোধী কর্মকর্তাদের যৌক্তিক তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগ রয়েছে।
আইসিসির অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, অ্যান্টি–করাপশন ইউনিটকে (এসিইউ) ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব বা সে ধরনের যোগাযোগের তথ্য না জানানো এবং তদন্তে বাধা দেওয়ার মতো গুরুতর অনিয়মে জড়িত ছিলেন জোন্স। এর মধ্যে তদন্ত–সংশ্লিষ্ট তথ্য গোপন বা বিকৃত করার অভিযোগও রয়েছে।
এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে অ্যারন জোন্সকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, যা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে। আইসিসি জানিয়েছে, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে অভিযোগের জবাব দিতে জোন্সের হাতে ১৪ দিন সময় থাকবে। শৃঙ্খলাবিষয়ক প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করা হবে না বলেও জানানো হয়েছে।
৩১ বছর বয়সী অ্যারন জোন্স যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে এখন পর্যন্ত ১০০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন—এর মধ্যে ৫২টি ওয়ানডে ও ৪৮টি টি–টোয়েন্টি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পাশাপাশি বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেও নিয়মিত খেলেছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ ক্রিকেটে সিয়াটল অর্কাসের হয়ে মাঠে নেমেছেন জোন্স।
এ ছাড়া ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) সেন্ট লুসিয়া কিংসের প্রতিনিধিত্ব করেছেন জোন্স। ২০২৪ সালে কিংসের শিরোপা জয়ের ফাইনালে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রানও আসে জোন্সের ব্যাট থেকে। সর্বশেষ ২০২৫ সালের নভেম্বরে আবুধাবি টি–টেন লিগে খেলতে দেখা গেছে তাঁকে।