২০২৬ আইপিএলে ১৪ ম্যাচে মাত্র চার জয়ে পয়েন্ট তালিকার তলানিতে থেকে মৌসুম শেষ করে লক্ষ্মৌ। এর আগের মৌসুমেও পান্তের নেতৃত্বে ১৪ ম্যাচে ছয়টি জয় পেয়েছিল দলটি, তবে প্লে-অফে জায়গা হয়নি। এরপর মে মাসে পান্তকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় লক্ষ্মৌ। বিনিময়ে কুলদীপ যাদবকে দলে নেয় তারা।
জাফরের মতে, অধিনায়কত্বের বাড়তি চাপ পান্তের পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলতে পারে। মালিকপক্ষের প্রত্যাশা, সমর্থকদের চাপের পাশাপাশি অধিনায়ক হিসেবে দল পরিচালনার দায়িত্ব সামলাতে হয়। এর সঙ্গে পান্তকে উইকেটকিপিং ও ব্যাটিংও করতে হয়। তাই আপাতত নেতৃত্বের চাপ থেকে দূরে থাকাই তাঁর জন্য ভালো বলে মনে করেন জাফর।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে জাফর বলেন, ‘দিল্লি ক্যাপিটালস তাকে অধিনায়কত্বের প্রস্তাব দিলেও আমার মনে হয়, তার না বলা উচিত। কেএল রাহুলের মতো সে শুধু খেলোয়াড় হিসেবে সময়টা উপভোগ করতে পারে। অধিনায়ক হলে মালিকপক্ষ, সমর্থক ও নিজের পারফরম্যান্স-সবকিছুর চাপ একসঙ্গে সামলাতে হয়। তার ওপর সে উইকেটকিপার এবং ব্যাটারও।’
ভারতের সাদা বলের দল থেকেও বর্তমানে বাইরে আছেন পান্ত। জাফরের মতে, তাই তাঁর মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত আইপিএলে ভালো পারফর্ম করে আবার টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে দলে জায়গা করে নেওয়া।
এ প্রসঙ্গে জাফর বলেন, ‘আমার মনে হয়, তার শুধু খেলোয়াড় হিসেবে খেলা উচিত। পান্তের পারফরম্যান্স কমেছে। এখন তার অগ্রাধিকার হওয়া উচিত আইপিএলে ভালো খেলা এবং টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে দলে ফেরার চেষ্টা করা। এই মুহূর্তে অধিনায়কত্ব তার অগ্রাধিকার নয়।’
রাহুলের উদাহরণ টেনে জাফর আরও বলেন, ‘সে শুধু ব্যাটার হিসেবে খেলুক এবং ম্যাচ জেতানোর চেষ্টা করুক। তার একাই চার-পাঁচটি ম্যাচ জেতানোর সামর্থ্য আছে। তাই আমার মনে হয়, পান্তের জন্য সবচেয়ে ভালো হবে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিয়ে একজন খেলোয়াড় হিসেবে মনোযোগ দেওয়া।’