গত মে মাসে পয়েন্ট তালিকার তলানিতে থেকে আইপিএল শেষ করার পর অধিনায়কত্ব ছাড়েন পান্ত। পরে তাকে কুলদীপ যাদবের বিনিময়ে দিল্লি ক্যাপিটালসে ট্রেড করা হয়। এরপর থেকেই লক্ষ্মৌর পরবর্তী অধিনায়ক কে হবেন, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। সাউথ আফ্রিকার টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি এসএ২০ ও দ্য হান্ড্রেডে আরপিএসজি গ্রুপের দলগুলোর অধিনায়কত্ব করার অভিজ্ঞতা থাকায় মার্করামকেই সবচেয়ে এগিয়ে রাখা হচ্ছে।
তবে বিষয়টি নিয়ে নির্ভার মার্করাম। তিনি বলেন, ‘আমার এ বিষয়ে কোনো ধারণা নেই। দল যেটাকে সেরা সিদ্ধান্ত মনে করবে, সেটাই নেবে। আমাদের দলে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো আরও অনেক ভালো খেলোয়াড় আছে। তাই বিষয়টি নিয়ে আমি মোটেও চিন্তিত নই। যে-ই অধিনায়ক হোক, আমি নিশ্চিত সে ভালোভাবেই দায়িত্ব পালন করবে। তবে এখন পর্যন্ত এ নিয়ে আমি বিশেষ কিছু ভাবিনি।’
লক্ষ্মৌর বর্তমান স্কোয়াডে নেতৃত্বের আরেক সম্ভাব্য নাম অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মিচেল মার্শ। এছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে নিকোলাস পুরানেরও। প্রয়োজনে আইপিএলের মিনি নিলাম থেকেও নতুন অধিনায়ক খুঁজে নিতে পারে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
এদিকে দ্য হান্ড্রেডে ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টসের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মার্করাম। ১০০ বলের এই সংস্করণে অধিনায়কত্ব উপভোগ করছেন বলেও জানান তিনি। মার্করাম বলেন, ‘এটা অবশ্যই ভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ, তবে আমি দারুণ উপভোগ করছি। জস বাটলারের মতো একজনকে পাশে পাওয়া অনেক সাহায্য করছে। এই ফরম্যাটে সবকিছু খুব দ্রুত ঘটে। কখনও মনে হয় পাঁচ বল শেষ হয়ে গেছে, পরে বুঝি একই প্রান্ত থেকে আরও পাঁচ বল বাকি আছে। তবু এটি দারুণ একটি প্রতিযোগিতা, যার মানও খুব ভালো।’
ব্যাট হাতে অবশ্য শুরুটা ভালো হয়নি মার্করামের। প্রথম চার ইনিংসে করেছিলেন মাত্র ৬৭ রান। তবে সর্বশেষ ম্যাচে দ্রুতগতির একটি হাফ সেঞ্চুরি করে ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। যদিও সেই ম্যাচেও বড় ব্যবধানে হেরেছে ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টস। টানা তিন হারে তাদের নকআউট পর্বে ওঠার সম্ভাবনাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
নিজের ইনিংস নিয়ে মার্করাম বলেন, ‘আমি কিছুটা সংগ্রাম করছিলাম, তবে আজকের ম্যাচটা আগের চেয়ে ভালো হয়েছে। উইকেটও ভালো ছিল, তাই বড় ইনিংস খেলার সুযোগ ছিল। ওই সময় আউট হয়ে যাওয়ায় আমি হতাশ। মনে হচ্ছিল দলের জন্য বড় একটা ইনিংস খেলতে পারতাম। তবে আবার ছন্দ ফিরে পেয়েছি, আশা করি এখান থেকেই ভালো খেলাটা ধরে রাখতে পারব।’