ঘটনাটি ঘটে চলতি বছরের ৫ এপ্রিল, ইস্টার সানডের রাতে। সিডনির পূর্বাঞ্চলে সড়কে নিয়মিত তল্লাশির সময় পুলিশ ওয়ার্নারের গাড়ি থামায়। পরে থানায় নেয়া হলে শ্বাস পরীক্ষায় তার দেহে অনুমোদিত সীমার দ্বিগুণেরও বেশি মাত্রায় মদের উপস্থিতি ধরা পড়ে। আদালত আগামী ১৮ আগস্ট তার সাজা ঘোষণা করবে।
ওয়ার্নারের আইনজীবী ববি হিল জানান, 'তিনি জানেন, যা করেছেন তা ভুল। নিজের সিদ্ধান্তকে তিনি বেপরোয়া ও নির্বুদ্ধিতাপূর্ণ বলেই মেনে নিয়েছেন। অপরাধ মদ পান করা নয়, বরং মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়া।'
তার দাবি, পুলিশ গাড়ি থামানোর মাত্র কয়েক মিনিট আগেই ওয়ার্নার শেষবার মদ পান করেছিলেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, ওয়ার্নার নিজের ভুলের জন্য অনুতপ্ত এবং সাধারণ নাগরিকের মতোই আইনের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত।
ওয়ার্নারের এই দোষ স্বীকারের পর সিডনি থান্ডারের অধিনায়ক হিসেবে তার অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি দলটি।
তবে ক্রিকেট নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রধান নির্বাহী লি জার্মন আগেই বলেছিলেন, 'অভিযোগগুলো উদ্বেগজনক এবং আমরা বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। নিরাপদে গাড়ি চালানোর পক্ষে আমরা সব সময় অবস্থান নিয়েছি।'
সাউথ আফ্রিকায় ২০১৮ সালের বল বিকৃতির ঘটনায় নেতৃত্ব দেয়ার ক্ষেত্রে আজীবন নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়েছিলেন ওয়ার্নার। পরে ২০২৪ সালে সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হলে অল্প সময়ের মধ্যেই সিডনি থান্ডারের অধিনায়ক করা হয় তাকে।