২৬৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা দারুণ করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওপেনার আকিম অগাস্ট ও জাস্টিন গ্রিভস মাত্র ষষ্ঠ ওভারেই ৫৭ রানের জুটি গড়েন। তবে এরপর দ্রুত দুই ওপেনার ফিরে গেলে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা।
কেসি কার্টি ৫৪ বলে ধীরগতির ২০ রান করেন, যেখানে ছিল না কোনো চার বা ছক্কা। শাই হোপের সঙ্গে তিনি ৫৯ রানের জুটি গড়লেও রান তোলার গতি কমে যায়। অল্প সময়ের ব্যবধানে দুজনই আউট হলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন হেটমায়ার ও শেরফেন রাদারফোর্ড।
দুজন মিলে পঞ্চম উইকেটে ৯৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। রাদারফোর্ড ৫৮ বলে ৬১ রান করে আউট হলে আবারও চাপে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
শেষ দিকে মাইকেল ব্রেসওয়েল, জেডেন লেনক্স ও জ্যাকব ডাফির আঘাতে দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে ২৪৮ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলে ক্যারিবীয়রা। তবে একপ্রান্ত আগলে রাখা হেটমায়ার শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করেন। জেডেন সিলসকে সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি। নিউজিল্যান্ডের হয়ে জেডেন লেনক্স ৩টি উইকেট নিয়ে সিরিজে নিজের মোট উইকেট সংখ্যা ১৪ তে নিয়ে যান।
এর আগে ব্যাট করতে নেমে তিন ব্যাটারের অর্ধশতকে ভর করে সিরিজে নিজেদের সর্বোচ্চ ২৬৮ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। ইনিংসের শুরুতেই হেনরি নিকোলসকে ফেরান ম্যাথিউ ফোর্ড। এরপর উইল ইয়াং ও নিক কেলি দ্বিতীয় উইকেটে ৮৬ রানের জুটি গড়েন। ৫২ বলে ফিফটি করা ইয়াংকে ফিরিয়ে সেই জুটি ভাঙেন ভিটেল লজ।
এরপর মার্ক চ্যাপম্যানকেও আউট করেন লজ। তবে নিক কেলি ও অধিনায়ক টম ল্যাথাম দলকে আবারও ভালো অবস্থানে নিয়ে যান। কেলি ৬৪ রান করে আউট হলেও ল্যাথাম ৭১ বলে ৬৯ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন। শেষ দিকে মিচেল সান্টনার ও জ্যাকব ডাফির ছোট ছোট অবদানে ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৬৮ রান সংগ্রহ করে সফরকারীরা।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে ভিটেল লজ ও আলজারি জোসেফ দুটি করে উইকেট নেন। এছাড়া ম্যাথিউ ফোর্ড, জেডেন সিলস ও গুডাকেশ মোতি একটি করে উইকেট শিকার করেন।