হার্ডির অলরাউন্ড নৈপুণ্য ও দুর্দান্ত নাহিদে পেশোয়ারের শিরোপা জয়

পিএসএল
পেশোয়ার জালমি
পেশোয়ার জালমি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
অ্যারন হার্ডির অলরাউন্ড পারফরম্যান্স এবং নাহিদ রানার জাদুকরী স্পেলে দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) শিরোপা জিতল পেশোয়ার জালমি। এর আগে ২০১৭ সালে পিএসএল শিরোপা জিতেছিল পেশোয়ার। ব্যাট হাতে ৩৯ বলে ৫৬ রানের ইনিংস খেলে দলকে শিরোপা জেতান হার্ডি। এর আগে বল হাতে নেন ২৭ রান খরচায় চার উইকেট। ফাইনালে অসাধারণ পারফরম্যান্স করে নিজের জাত চেনান নাহিদ রানাও। তার অসাধারণ বোলিংয়ের দিনে ১৮ ওভারে ১২৯ রানে অল আউট হয় হায়দরাবাদ কিংসম্যান।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ৪০ রানে চার উইকেট হারায় পেশোয়ার। মোহাম্মদ হারিস ছয়, বাবর আজম শুন্য, কুশল মেন্ডিস ৯ এবং মাইকেল ব্রেসওয়েল চার রানে আউট হন। তারপর ৮৫ রানের জুটি গড়েন হার্ডি এবং আব্দুল সামাদ। ৩৪ বলে ৪৮ রান করে দলকে জয়ের কাছাকাছি নিয়ে সামাদ ফিরে গেলেও হার্ডি পাঁচ উইকেটে দলের জয় নিশ্চিত করে ফেরেন।

ফারহান ইউসুফ দুই বলে চার রানে অপরাজিত থাকেন। ১৫.২ ওভারে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছায় পেশোয়ার। এর আগের ইনিংসে পাওয়ার প্লে'র শেষ ওভারে প্রথমবার নাহিদ রানার হাতে বল তুলে দেন বাবর আজম। তবে ফাইনালে নিজের প্রথম ওভারে ভালো করতে পারেননি বাংলাদেশের তারকা পেসার। একটি করে ছক্কা ও চারে ১৩ রান খরচা করেন তিনি।

তবে নিজের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই উইকেট তুলে নেন নাহিদ। ডানহাতি পেসারের গতিময় ডেলিভারিতে পুল করতে গিয়ে মিড অনে ক্যাচ দেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। অস্ট্রেলিয়ার তারকা অলরাউন্ডার রানের খাতা খুলতে পারেননি। ডানহাতি এই পেসারের ওভারের পঞ্চম বলে রান আউট হন কুশল পেরেরা। অর্থাৎ নাহিদের এক ওভারে দুই উইকেট হারায় হায়দরাবাদ। দ্বিতীয় ওভারে ৬ রান দেন তিনি।

নিজের করা তৃতীয় ওভারে মাত্র এক রান খরচ করেন নাহিদ, সেটাও লেগ বাই থেকে। এই ওভারে তিনি ফেরান হুনাইন শাহকে। অর্থাৎ এই ওভারে উইকেট মেডেন আদায় করেন তিনি। নাহিদের মিডল এবং লেগ স্টাম্পের মাঝে তাক করা ইয়র্কারে ফ্লিক করতে চেয়েছিলেন হুনাইন। যদিও ১৪৮ কিমি গতিবেগের বলে কোনো সুবিধা করতে পারেননি তিনি। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ফিরে যান ১২ বলে ৯ রান করা হুনাইন।

নিজের শেষ ওভারে মাত্র চার রান খরচ করেন নাহিদ। সবমিলিয়ে পিএসএল ফাইনালে চার ওভারে ২২ রান খরচা করেন তিনি। একটি মেডেনসহ দুটি উইকেটও নেন এই পেসার। তার চাইতেও রঙিন ছিল অ্যারন হার্ডির পারফরম্যান্স। চার ওভারে ২৭ রান খরচায় চার উইকেট নেন এই অলরাউন্ডার।

হায়দরাবাদের হয়ে এই ম্যাচে ৫০ বলে ৫৪ রান করেন সাইম আইয়ুব। তার ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কার মার। এ ছাড়া মার্নাস ল্যাবুশেন করেন ১২ বলে ২০ রান। শেষদিকে হাসান খান করেন সাত বলে ১২ রান।

আরো পড়ুন: