আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী, জরুরি পরিস্থিতিতে টিম ম্যানেজার ড্রেসিং রুমে মোবাইল ব্যবহার করতে পারলেও ডাগআউটে তা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। গৌহাটির বারসাপাড়া স্টেডিয়ামে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে ম্যাচে ভিন্দারকে ডাগআউটে মোবাইল ব্যবহার করতে দেখা যায়। ওই সময় তার পাশেই বসে ছিলেন সূর্যবংশী এবং তাকে ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকাতেও দেখা যায়।
এই ঘটনার পর বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) দুর্নীতি দমন ও নিরাপত্তা ইউনিট ভিন্দারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠায় এবং ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তিনি জবাব দিলেও বিসিসিআই সচিব দেবজিত সাইকিয়া জানিয়েছেন, সেই জবাবে সন্তুষ্ট হয়নি আকু। ফলে জরিমানা ও সতর্কবার্তা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে সাইকিয়া বলেন, ‘রাজস্থান রয়্যালস ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ম্যাচে এই লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে। গৌহাটিতে আমাদের দুর্নীতি দমন ইউনিট বিষয়টি নজরে এনে ১২ এপ্রিল তাকে ব্যাখ্যা দিতে নোটিশ দেয়। রোমি ভিন্দারকে ডাগআউটের পাশে মোবাইল ফোন নিয়ে যেতে দেখা যাওয়ায় তাকে ৪৮ ঘণ্টার সময় দেওয়া হয়েছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘তার হাতে মোবাইল থাকতে পারে, কিন্তু ডাগআউটে তা নেয়া যাবে না। তাই তার কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছিল এবং নির্ধারিত ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই তিনি জবাব দেন। কিন্তু তার জবাব পর্যালোচনা করে দুর্নীতি দমন ইউনিট সেটিকে সন্তোষজনক মনে করেনি।’
প্রথমবার এই অপরাধ করায় অল্প শাস্তিতেই পাড় পেয়ে গেছেন তিনি। এই বিষয়টি নিশ্চিত করে সাইকিয়া বলেন, ‘এটি যেহেতু প্রথমবার তিনি আইপিএলের প্রোটোকল ভঙ্গ করেছেন, তাই বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দুর্নীতি দমন ইউনিট তাকে ১ লাখ রুপি জরিমানা করে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের লঙ্ঘন না করার জন্য সতর্ক করে দেয়।’
২০০৮ সালে আইপিএল শুরুর পর থেকেই রাজস্থান রয়্যালসের সঙ্গে যুক্ত আছেন ভিন্দার। ১৫ বছর বয়সী সূর্যবংশীর স্থানীয় অভিভাবকের দায়িত্বও পালন করছেন তিনি। ২০১৬ ও ২০১৭ মৌসুমে রাজস্থান রয়্যালস নিষিদ্ধ থাকাকালে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্টস দলের সঙ্গেও ছিলেন তিনি।
সাইকিয়া আরও বলেন, ‘বিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে আমরা শুধু বলতে পারি, এই ঘটনা যেন আইপিএলের সঙ্গে যুক্ত অন্য সব সবার জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করে এবং তারা যেন নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আইপিএল প্রোটোকল কঠোরভাবে অনুসরণ করেন।’