আগে ব্যাট করে মুলতানকে ১৯৭ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুড়ে দেয় পেশোয়ার জালমি। বল করতে এসে শুরুতেই শাহিবজাদা ফারহানকে ফেরান ইফতিখার। শুরুর দিকেই টানা তিন ওভার বোলিং করেন শরিফুল ইসলাম ২২ রান দিলেও কোনো উইকেট পাননি তিনি। মাঝের দিকে মুলতানের ব্যাটারদের ভুগিয়েছেন সুফিয়ান মুকিম। তিনি ৩১ রান করা স্টিভেন স্মিথ ও ৩২ রান করা জশ ফিলিপকে আউট করেন।
এরপর ২০ রান করা টার্নারকেও আউট করেন তিনি। ইফতিখার বোলিংয়ে ফিরে আউট করেন শান মাসুদকে। আর তাতেই মুলতানের মিডল অর্ডার ভেঙে যায়। নাহিদ বোলিংয়ে এসে প্রথম ২ ওভারে উইকেট শূন্য ছিলেন। খরচ করেছিলেন ১৬ রান।
ইনিংসের নবম ওভারে নাহিদেরর হাতে বল তুলে দেন বাবর আজম। সেই ওভারে প্রথম চার বলেই ডট দেন এই পেসার।
যদিও পঞ্চম বলে তাকে চার মারেন স্টিভেন স্মিথ। সেই ওভারে নাহিদ দেন মোটে ৫ রান। নাহিদ নিজের দ্বিতীয় ওভারে একটু খরুচে বোলিং করেন। সেই ওভারে দেন ১১ রান। তৃতীয় ওভারে এসে আরাফাত মিনহাসকে আউট করেন নাহিদ। সেই ওভারে মোটে ৬ রান দেন তিনি।
১৯তম ওভারে নিজের শেষ ওভার করতে এসে মোটে ২ রান দেন এই ডানহাতি পেসার। শেষ বলে নাহিদ আউট করেন ৪ রান করা ওয়াসিম জুনিয়রকে। শেষদিকে আমের জামাল আউট করেন ১৬ রান করা নাওয়াজকে। ফলে ১৭২ রানের বেশি করতে পারেনি মুলতান।
র আগে এএই ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে ভালোই শুরু পেয়েছিল বাবর আজম ও মোহাম্মদ হারিসের ব্যাটে। ওপেনিং জুটিতেই তারা তুলে নেয় ৪৮ রান। হারিস আউট হয়েছেন ১৭ বলে ৩৮ রান করে। এরপর বাবরও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি ২০ বলে ২৮ রানের ধীর গতির ইনিংস খেলেন।
তৃতীয় উইকেটে দলের হাল ধরেন কুশল মেন্ডিস ও ফারহান ইউসুফ। দুজনে মিলে গড়েন ৬৩ রানের জুটি। ইউসুফ গেরেন ২২ বলে ৩০ রান করে। মেন্ডিস হাফ সেঞ্চুরি করে ফেরেন ৪০ বলে ৬৮ রান করে। পেশোয়ারের হয়ে এটাই সবোর্চ্চ রানের ইনিংস এই ম্যাচে। শেষদিকে মিচেল ব্রেসওয়েল ১৪ ও ইফতিখার আহমেদ ১০ রান করে আউট হন।
আব্দুল সামাদ ৪ ও আমের জামাল ২ রান করে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন। মুলতানের হয়ে দুটি করে উইকেট শিকার করেছেন মোহাম্মদ ইসমাইল ও পিটার সিডল। একটি করে উইকেট তুলে নিয়েছেন মোহাম্মদ নাওয়াজ ও ওয়াসিম জুনিয়র।