যদিও বিশ্ব জুড়ে যখন তারিকের বোলিং নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা এই স্পিনারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন অশ্বিন। তবে এবার তার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন ভারতের এই সাবেক স্পিনার। ঘটনাটি কোয়েটা গ্লাডিয়েটর্স ও রাওয়ালপিন্ডিজের ম্যাচের। রাওয়ালপিন্ডিজের ইনিংসের নবম ওভারের খেলা চলছিল।
তখন বোলিংয়ে আসেন তারিক। ডেলিভারির সময় থেমে যাওয়াটা বিভ্রান্ত করছিল ব্যাটার মিচেলকে। তারিক একাধিকবার একই কাজ করায় ওভারের চতুর্থ বলে নিজের ব্যাটিং স্টান্স থেকে সরে বল মোকাবেলা করতে অস্বীকৃতি জানান মিচেল। পরপর দুইবার মিচেল একই কাজ করায় ঘটনায় হস্তক্ষেপ করতে হয় বাংলাদেশের আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকতকে।
ম্যাচের পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ অশ্বিন লিখেন, ‘আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারিদের বিরতির সময় নির্ধারণ করে দিতে হবে। যদি বিরতির সময় প্রতি বলে একই না হয়, তবে ব্যাটসম্যানের সরে যাওয়ার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। খেলা শুরু হওয়ার আগেই অধিনায়ক এবং প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানের উচিত আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারিদের কাছে এই বিষয়টি উত্থাপন করা। সাবাস মিচেল।’
গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালে তারিকের ডেলিভারির সময় এভাবে থেমে যাওয়া নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়। অনেকেই তারিকের এমন ডেলিভারির সমালোচনা করলেও তারিকের পক্ষ নেন অশ্বিন। অশ্বিনের যুক্তি ছিলো, যদি ব্যাটাররা ব্যাটিংয়ের সময় নিজের স্টান্স পরিবর্তন করতে পারেন কিংবা সুইচ হিট করতে পারেন, তাহলে বোলাররা কেন ডেলিভারির সময় কিছুটা থেমে বোলিং করতে পারবেন না?
বোলার বিরতি নিলে সেটি প্রতিটি বলে একই সময়ের জন্য হচ্ছে সেটিই বিবেচ্য বিষয় অশ্বিনের জন্য। এমন সমস্যা সমাধানের জন্য ম্যাচের আগেই আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারিকে অবহিত করার পরামর্শ তার। মিচেল পরপর দুইবার সরে যাবার পর আম্পায়ার সৈকত কথা বলেন তার সাথে। এরপর আবার খেলা শুরু হলে একইভাবে বিরতি নিয়ে বোলিং করেন তারিক। তবে পরে আর সরে না দাঁড়িয়েই তারিকের বাকি বলগুলো খেলেন মিচেল।