জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার জানিয়েছেন সাকিবের সঙ্গে কথা হয়েছে তার। এই অলরাউন্ডারের ক্রিকেটীয় প্রস্তুতি ব্যাপারে জানতে চেয়েছিলেন তিনি। বাশার নিশ্চিত করেছেন সাকিবের যদি দেশে ফেরার অবস্থায় থাকে তাহলে অবশ্যই পরবর্তী সিরিজের জন্য সাকিবকে বিবেচনা করবেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে বাশার বলেন, 'সর্বসম্মতিক্রমে বোর্ড গ্রহণ করেছে যে, সাকিব আল হাসানের অ্যাভেইলঅ্যাবিলিটি, ফিটনেস এবং অ্যাকসেসিবিলিটির ওপর ভিত্তি করে এবং পাশাপাশি যেখানে খেলা হবে ভেন্যুতে, সেখানে যদি উপস্থিত থাকার মতো ক্যাপাসিটি থাকে, অবশ্যই বোর্ড বা নির্বাচক কমিটি সাকিবকে পরবর্তীতে নির্বাচনের জন্য বিবেচিত করবে।'
সাকিবকে ফেরাতে বোর্ডের পক্ষ থেকে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। এমনকি সাকিবের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের পর মামলার ফাইলও জমা দেয়া হয়েছে সেখানে। তবে এর বাইরে সাকিবকে দেশে ফেরাতে আর কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি।
সাকিবের দেশে ফেরার ব্যাপারটি নির্বাচকদের হাতে নেই। তবে ক্রিকেটীয় প্রস্তুতির ব্যাপারেই সাকিবকের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বাশারের। সাকিব যেহেতু যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন সেখানে ম্যাচ খেলার বা অনুশীলনের পর্যাপ্ত সুবিধা নেই। তবে সাকিব ফিটনেস ট্রেনিং চালিয়ে যাচ্ছেন বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।
বাশার যোগ করেন, 'আমার সাথে দু-একবার কথা হয়েছে (সাকিবের সঙ্গে)। আমার মূল প্রশ্ন ছিল, সে প্রস্তুত কি না. যেহেতু ও যেখানে আছে, ওখানে ক্রিকেট নিয়মিত হয় না। ট্রেনিয়ের পর্যাপ্ত সুযোগ নেই। ফিটনেস ট্রেনিং করা যায়, কিন্তু ক্রিকেট খেলা অত রেগুলার হয় না। আমি আসলে ওর সাথে এসব বিষয় নিয়ে বেশি কথা বলেছি।'
তিনি আরও বলেন, 'বাকিটা ওকে এখানে পাওয়ার ব্যাপার। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আমরা অবশ্যই তাকে লম্বা সময়ের জন্যই চাই।'
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আর দেশে ফিরতে পারেননি সাকিব। তবে সেই বছরে ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে খেলেছিলেন সাকিব। দেশের মাটিতে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলে সাদা পোশাকের ক্রিকেট থেকে অবসরের আকাঙ্খার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। তীব্র আন্দোলনের কারণে সেটা হয়নি।