করাচি কিংসের বিপক্ষে ম্যাচের শেষ ওভারে বোলার হারিস রউফের হাতে বল দেবার আগে বল ছিলো ফখরের হাতে। সেখানেই তার বলের আকৃতি পরিবর্তন করেছেন বলে সন্দেহ করেন মাঠের আম্পায়াররা। পরে লাহোরকে পাঁচ রানের পেনাল্টি দেয়া হয় এবং ম্যাচ শেষে ফখরকে শুনানিতে হাজির হতে বলা হয়। সেই শুনানিতে ফখরের বক্তব্যে সন্তুষ্ট না হওয়ায় তাকে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়।
পিএসএলের প্লেয়িং কন্ডিশনের ৪১.৩ ধারা ভাঙার অভিযোগে এই শাস্তি পেয়েছিলেন ফখর। শুনানিতেও বিষয়টি অস্বীকার করেছিলেন এই ওপেনার। নিয়ম অনুযায়ী আপিল করার সুযোগ ছিলো তার সামনে। সেই সুযোগ নিয়ে আপিল করেছিলেন ফখর। সেই আপিল বাতিল করে পূর্বের শাস্তি বহাল রাখে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
এক বিবৃতিতে পিসিবি জানায়, 'জাভেদ মালিক, মুমরাইজ নাক্সবন্দ এবং সৈয়দ আলিদের নিয়ে গড়া পিএসএলের টেকনিক্যাল কমিটি আপিলের শুনানি করে। সমস্ত প্রমাণ নতুনভাবে পর্যালোচনা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য শোনা এবং পূর্ণ তদন্তের পর কমিটি আপিলটি খারিজ করে দিয়েছে এবং ম্যাচ রেফারি রোশান মাহানামা কর্তৃক দেয়া দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছে।'
'আচরণবিধি অনুসারে, পিএসএল টেকনিক্যাল কমিটি কর্তৃক গৃহীত যেকোনো সিদ্ধান্তই উক্ত বিষয়ের পূর্ণ, চূড়ান্ত ও সঠিক বিচার বলে গণ্য হবে এবং তা সকল পক্ষের জন্য বাধ্যতামূলক হবে।'
পিসিবির এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শুক্রবার মুলতান সুলতান্সের বিপক্ষে ম্যাচ ও আগামী ৯ এপ্রিলের ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের বিপক্ষে ম্যাচ মিস করতে যাচ্ছেন অভিজ্ঞ এই ওপেনার।