ঘটনাটি ইনিংসের শেষ ওভারের। অধিনায়ক শাহীন আফ্রিদি ও ফখরের হাত ঘুরে বল যায় হারিস রউফের হাতে। ওই সময় আম্পায়ার ফয়সাল আফ্রিদি পরীক্ষার জন্য হারিসের কাছ থেকে বলটি চেয়ে নেন। এরপর আরেক আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদের সঙ্গে আলাপ করে সিদ্ধান্ত নেন লাহোর কালান্দার্সের খেলোয়াড়রা বলের আকৃতি বিকৃত বা টেম্পারিংয়ের চেষ্টা করেন।
পিএসএল প্লেয়িং কন্ডিশনের ৪১.৩.৫.৩ ধারা অনুযায়ী ওই সময় লাহোরকে ৫ রান জরিমানাও করা হয়। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) পরবর্তীতে জানায়, লাহোরের এক ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে লেভেল তিন মাত্রার অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, অভিযোগ প্রমাণিত হলে চলতি মৌসুমে একটি বা দুইটি ম্যাচে নিষিদ্ধ হতে পারেন।
ম্যাচ রেফারি রোশান মাহানামা ফখরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সকল প্রমাণ পর্যালোচনা করেন। শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন লাহোরের অধিনায়ক শাহীন আফ্রিদি, টিম ডিরেক্টর সামিন রানা ও টিম ম্যানেজার ফারুক আনোয়ার। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে ফখরকে।
বাঁহাতি ব্যাটার চাইলে পিএসএলের টেকনিক্যাল কমিটির কাছে আপিল করতে পারবে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আপিল করতে হবে তাদের। এখন পর্যন্ত দুই ম্যাচ খেলে একটিতে জয় পেয়েছে লাহোর। বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের পরের ম্যাচ মুলতান সুলতান্সের বিপক্ষে, ৩ এপ্রিল।