পিএসএলে হোটেল রুমে অতিথি নিয়ে বিপাকে রাজা

পিএসএল
লাহোর কালান্দার্সের জার্সিতে সিকান্দার রাজা
লাহোর কালান্দার্সের জার্সিতে সিকান্দার রাজা
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
করাচি কিংসের বিপক্ষে ১২৮ রান করেও শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছে লাহোর কালান্দার্স। তবে জিততে পারেনি তারা। শেষ পর্যন্ত ৩ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে করাচি। তবে এর নেপথ্যে রয়েছে বল টেম্পারিং। লাহোরের ব্যাটার ফখর জামান বল টেম্পারিং করে ধরা পড়ায় ৫ রান পেনাল্টি দেয়া হয় দলটিকে।

এবার নতুন বিতর্কে নাম লিখিয়েছে দলটি। জানা গেছে করাচির বিপক্ষে ম্যাচের আগে অধিনায়ক শাহীন আফ্রিদির সহায়তায় চারজন অতিথি নিয়ে আসেন রাজা। এর ফলে নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে দুই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধেই। করাচির বিপক্ষে ম্যাচের পর অবশ্য এই বিষয়টি নিয়ে খোলাসা করেছেন রাজা।

জানিয়েছেন অপরিচিত কেউ নয়। বরং পরিবারের সদস্যদেরই হোটেলে এনেছিলেন জিম্বাবুইয়ান এই অলরাউন্ডার। এদিকে লাহোর পুলিশের দাবি, নিরাপত্তা বিভাগের অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও আফ্রিদি ও রাজা চারজন অতিথিকে জোরপূর্বক হোটেলের অষ্টম তলায় রাজারের কক্ষে নিয়ে যান।

তারা সেখানে স্থানীয় সময় রাত ১টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করেন বলেও জানানো হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) স্মরণাপন্ন হয়েছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। প্রথমে দলের লিয়াজো অফিসার পিসিবির নিরাপত্তা ও অ্যান্টি-করাপশন ইউনিটের কাছে অনুমতি চান। তবে তাকে শুরুতে নাকচ করে দেয় পুলিশ।

এরপর দলটির মালিক সামিন রানা এবং সালমান নাসেরের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও একই কারণে অনুমতি মেলেনি। এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সিকান্দার রাজা। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন কাউকে লুকিয়ে কিছু করেননি তিনি। দীর্ঘ সময় ধরে দেশের বাইরে থাকলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করা স্বাভাবিক বলেই মনে করেন তিনি।

ম্যাচ শেষে রাজা বলেন, ‘আফ্রিদি এমন কিছু করেনি। যারা আমার রুমে এসেছিল তারা আমার পরিবারের সদস্য। দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে থাকলে পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে ইচ্ছা করাটা স্বাভাবিক। আমরা লুকিয়ে কিছু করিনি। যথাযথ প্রক্রিয়া মেনেই আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু পরিবারের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টা সময় কাটানোর অনুমতি না পেয়ে হতাশ লাগছিল।’

আফ্রিদির ভূমিকা নিয়ে রাজা যোগ করেন, ‘সে একজন অধিনায়ক ও ভাই হিসেবে আমার পাশে দাঁড়িয়েছে। বড় ম্যাচের আগে আমাকে মানসিকভাবে স্বস্তিতে রাখতে চেয়েছে। আমরা কাউকে জোর করিনি, শুধু তাদের সঙ্গে রুমে গিয়েছি। আমরা পেশাদার ক্রিকেটার, প্রোটোকল সম্পর্কে ভালোভাবেই জানি। আমরা এখানে ক্রিকেট খেলতে এসেছি, সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’

আরো পড়ুন: