ক্যামিওতে তাদের আরেকটু এগিয়ে দেন রায়ান বার্ল। বেনেট হাফ সেঞ্চুরি করলেও জিম্বাবুয়ের জয়টা সহজ করেছেন সিকান্দার রাজা। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৪ ছক্কা ও ২ চারে খেলেন ২৬ বলে ৪৫ রানের ইনিংস। শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে দারুণ এক জয় পেয়েছে জিম্বাবুয়ে। এর আগে অস্ট্রেলিয়াকেও হারিয়েছে তারা। ৪ ম্যাচে ৩ জয়ের সঙ্গে একটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ সেরা হয়েছে জিম্বাবুয়ে।
কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে রান তাড়ায় জিম্বাবুয়েকে দারুণ এক শুরু এনে দেন বেনেট ও মারুমানি। ইনিংসের প্রথম ওভার থেকেই দ্রুতগতিতে রান তুলতে থাকেন জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার। তাদের দুজনের ব্যাটে পাওয়ার প্লেতে বিনা উইকেটে ৫৫ রান তোলে জিম্বাবুয়ে। নবম ওভারে তাদের দুজনের ৬৯ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙ্গে মারুমানির বিদায়ে। ২৬ বলে ৩৪ রান করে দুনিথ ওয়েলালাগের বলে তারই হাতে ক্যাচ দিয়েছেন।
তিনে নেমে আক্রমণাত্বক ব্যাটিংয়ে দ্রুত রান তোলেন বার্লও। যদিও তাকে ইনিংস বড় করতে দেননি দাসুন শানাকা। ডানহাতি পেসারের শর্ট ডেলিভারিতে পুল করার চেষ্টায় শর্ট ফাইন লেগে ক্যাচ দিয়েছেন ১২ বলে ২৩ রান করে। চারে নেমে সুবিধা করতে পারছিলেন না রাজা। প্রথম ১০ বলে মাত্র ৭ রান করেছিলেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক। তবে আচমকা দুশান হেমন্থের বিপক্ষে চড়াও হয়ে ওঠেন তিনি। ২ ছক্কা ও এক চারে সেই ওভার থেকে ২০ রান আনেন।
পরের ওভারে মাহিশ থিকশানাকে একটি চার ও ছক্কা মারেন। ইনিংসের ১৭তম ওভারে ৪১ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন বেনেট। টানা দুই ম্যাচেই পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস খেললেন তিনি। ২৬ বলে ৪৫ রান করা রাজাকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন হেমন্থ। একই ওভারে আউট হয়েছেন তাশিঙ্গা মুসাকেয়া। তবে শেষ ওভারে প্রথম বলে টনির ছক্কা ও তৃতীয় বলে বেনেটের চারে জয় নিশ্চিত হয় জিম্বাবুয়ের। ৪৮ বলে ৬৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন বেনেট।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৭ উইকেটে ১৭৮ রান তোলে শ্রীলঙ্কা। স্বাগতিকদের হয়ে সর্বোচ্চ ৬২ রানের ইনিংস খেলেছেন নিশাঙ্কা। এ ছাড়া পবন ২৫ বলে ৪৪, কুশল পেরেরা ২২ এবং ওয়েলালাগে ৮ বলে ১৫ রান করেন। জিম্বাবুয়ের হয়ে দুইটি করে উইকেট নিয়েছেন ব্লেসিং মুজারাবানি, ব্র্যাড ইভান্স ও গ্রায়েম ক্রেমার।