২০২৩ সালে গড়ায় ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টোয়েন্টির প্রথম আসর। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতের টুর্নামেন্টের এমনিতেই একটু পার্থক্য ছিল। বেশিরভাগ লিগগুলো একাদশে চারজনের বেশি বিদেশি ক্রিকেটার খেলানোর সুযোগ নেই। তবে আইএল টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ৯ জন বিদেশিকে খেলানো যায়।
এসবের বাইরে ৬ দলের টুর্নামেন্টের প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজির স্কোয়াডে ৪ জন করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্রিকেটারকে দলে নিতে হয়। এ ছাড়া দুজন সহযোগী দেশের, একজন করে রাখতে হয় কুয়েত এবং সৌদি আরবের। পুরনো নিয়মের সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হচ্ছে আয়ারল্যান্ডের। দুই দেশের চুক্তি অনুযায়ী, আইএল টি-টোয়েন্টির প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজিতে অন্তত একজন করে আইরিশ ক্রিকেটার রাখতে হবে।
অর্থাৎ আগামী মৌসুম থেকে অন্তত ৬ জন করে আয়ারল্যান্ডের ক্রিকেটারকে দেখা যাবে আইএল টি-টোয়েন্টিতে। এমনটা হলে আয়ারল্যান্ডের ক্রিকেটাররা বিশ্বজুড়ে আরও বেশি এক্সপোজার পাবেন এবং নিজেদের মেলে ধরতে পারবেন। বর্তমানে আয়ারল্যান্ডের ক্রিকেটারদের মধ্যে জশুয়া লিটলের আইপিএল, পিএসএলসহ বিভিন্ন লিগে খেলার অভিজ্ঞতা আছে।
বাকিদের ভেতরে পল স্টার্লিং, কার্টিস ক্যাম্ফার খেলেছেন বিপিএলসহ কয়েকটি লিগে। ফ্র্যাঞ্চাইজি চুক্তির বাইরে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নিয়েও চুক্তি করেছে আরব আমিরাত ও আয়ারল্যান্ড। সেই চুক্তির অধীনে একে অপরের বিপক্ষে নিয়মিত সাদা বলের সিরিজ খেলা হবে। ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ নেপালের সঙ্গেও দ্বিপাক্ষিক সিরিজ নিয়ে এমন চুক্তি করেছে আয়ারল্যান্ড।