ফলে জিম্বাবুয়ের পর আফগানিস্তানের বিপক্ষে হারতে হয়েছে বাংলাদেশকে। দুইটি হারেই সবচেয়ে বড় দায় ব্যাটারদের। দুই ম্যাচের একটিতেও দুইশ ছুঁতে পারেননি। বাংলাদেশের ব্যাটাররা যেন ব্যাটিং করতেই ভুলে গেছেন। ওয়ানডে ক্রিকেট কিভাবে খেলতে হয় সেটাও বোধহয় ভুলে গেছেন তারা। সেটারই প্রতিচ্ছবি দেখা গেছে দুই ম্যাচে।
তাওহীদ হৃদয়ও স্বীকার করেছেন, ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে তারা দিনের পর দিন একই ভুলে করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের অধিনায়ক বলেন, ‘সত্যি বলতে আমরা দিনের পর দিন একই ভুল করছি। ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আমরা আবারও ভুল করেছি। শুরুতেই কয়েকটা উইকেট হারিয়েছি। ওইটাই আসল কারণ।’
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটাই ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ। একই ওভারে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকার। দ্রুতই আউট হয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও হৃদয়। ২৮ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানো যায়নি। হৃদয়ও দায় দেখছেন টপ অর্ডারেরই। তিনি বলেন, ‘আমি আগেও বললাম টপ অর্ডারে আমাদের রান করতে হবে নাহলে আপনি টিকতে পারবেন না। আমরা এটা নিয়ে কাজ করব।’
টপ অর্ডারের ব্যর্থতার পরও পারভেজ হোসেন ইমনের হাফ সেঞ্চুরিতে ১৬০ রানের পুঁজি পায় বাংলাদেশ। মাত্র ৩ উইকেট হারিয়েই সেই লক্ষ্য পেরিয়ে যায় আফগানরা। হৃদয় মনে করেন, ভালো উইকেটও বাংলাদেশ ১০০ রান কম করেছে। বাংলাদেশের অধিনায়ক বলেন, ‘সত্যি বলতে আমরা ১০০ রান কম করেছি। উইকেট খুব ভালো ছিল।’
ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ফিল্ডিংয়েও গলদ দেখছেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। হৃদয় বলেন, ‘সত্যি বলতে আমরা অনেক কিছুই শিখতে পারি। ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে... এমনকি ফিল্ডিংয়ের কিছু জায়গাতেও উন্নতি করতে হবে। আমাদের হাতে সময় আছে। আশা করছি আমরা এটা নিয়ে কাজ করব এবং আমাদের ঘরের মাঠে এশিয়া কাপ হবে। আমরা ঘুরে দাঁড়াব।’