শেষ দিনে জিততে মাত্র ১০১ রান প্রয়োজন ছিল চট্টগ্রামের। অন্যদিকে খুলনার তুলে নিতে হতো ৫ উইকেট। খুলনা ৩২৩ রানে অল আউট হওয়ার পর চট্টগ্রাম শেষ দিন শুরু করে পাঁচ উইকেটে ১৭৪ রান নিয়ে।
ইরফান শুক্কুর ১৫ এবং শামীম পাটোয়ারি ৯ রানে ছিলেন। যদিও শেখ মেহেদীর স্পিনের সামনে সুবিধা করতে পারেননি এদের কেউই। নিজের রানের খাতায় আর এক রান যোগ করে (১০) বিদায় নেন শামীম। মেহেদী এলবিডব্লিউ করেন তাকে।
দলীয় ২১০ রানে ফিরে যান ৪৬ রান করা ইরফানও। মেহেদীর বলে স্টাম্পিং হন তিনি। তারপর আবুল হাসনাতের ২৮ এবং মোহাম্মদ রুবেলের ২৭ রানের কল্যাণে আরও কিছুক্ষণ ম্যাচে টিকেছিল প্রথম ইনিংসে ২৫০ রান করা চট্টগ্রাম।
কিন্তু মেহেদীর নৈপুণ্যের সামনে ম্যাচটি আর জিততে পারেনি দলটি। ২৬৪ রানে অল আউট হয় তারা। ৭২ রান খরচায় চার উইকেট নেন মেহেদী।
দিনের আরেক ম্যাচে পাঁচ উইকেটে ২৪৯ রান নিয়ে শেষদিনের খেলা শুরু করে বরিশাল। কিন্তু শফিকুল ইসলামের দাপটের সামনে টিকতে পারেনি দলটি। ২৭৪ রানেই অল আউট হয় তারা। প্রথম ইনিংসে বরিশাল করেছিল ২২৯ রান।
কিন্তু এ দিন শফিকুল আরো তিন উইকেট নিলে একেবারেই সুবিধা করতে পারেনি বরিশাল। আগের দিন ২৮ রানে অপরাজিত থাকা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এ দিন থামেন ৩৪ রান করে। সানজামুল ইসলামের বলে উইকেটরক্ষককে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন তিনি।
প্রথম ইনিংসে সাত উইকেটে ৪৫৭ রান করা রাজশাহীর সামনে ম্যাচ জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৯ রানের। দুই উইকেট হারিয়েই কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে যায় রাজশাহী। হাবিবুর রহমান ১ এবং নাঈম আহমেদ ৮ রানে ফিরলেও সাব্বির হোসেন ২৩ এবং প্রীতম কুমার ১৬ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন।