সবার সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সিমন্স। প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ দল কোথায় পিছিয়ে পড়েছিল এবং ফাইনালে যেতে কী কী করতে হবে সেসব নিয়ে সেই মিটিংয়ে পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ দল খারাপ খেলেছে এমনটাও মনে করছেন না এই কোচ।
তিনি বলেন, 'দলের এনার্জি এখনও ভালো। আজ সকালে আমাদের একটি দারুণ মিটিং হয়েছে এবং আমরা বিষয়গুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছি। আমরা কী ভালো করেছি আর কী করতে পারিনি এবং আমরা জানি এখন আমাদের কী করতে হবে। ব্যাপারটা এমন নয় যে আমরা খারাপ খেলছি, আমরা খুব ভালো খেলছিলাম।'
বাংলাদেশ প্রথম ম্যাচে ভাগ্যের সহায়তা পায়নি দাবি করে তিনি বলেন, 'আমাদের এমন একটা দিন গেছে যেদিন আসলে কিছুই আমাদের পক্ষে যায়নি। সুতরাং, আমরা জানি কীভাবে সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে। তাই আমরা আজ কাজ করব এবং আগামী কয়েকদিন নিজেদের মানসিকভাবে প্রস্তুত করব। যাতে আমরা পরবর্তী ম্যাচের জন্য প্রস্তুত থাকতে পারি।'
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ব্যর্থতার একাধিক কারণ উল্লেখ করেছেন সিমন্স। শুরুতেই জিম্বাবুয়ের ৩ উইকেট তুলে নিলেও তাদের চেপে ধরতে না পারায় আক্ষেপ করেছেন সিমন্স। সেই সময় দ্রুত আরও একটি উইকেট তুলে নিয়ে উচিত ছিল বাংলাদেশের। তবে এক্ষেত্রে জিম্বাবুয়ের ব্যাটারদেরও কৃতিত্ব দিয়েছেন তিনি।
সিমন্স যোগ করেন, 'সঠিক পরিস্থিতিতে আমাদের চিন্তাভাবনার অভাব ছিল। আমাদের পরিস্থিতি বোঝার অভাব ছিল এবং তিনটি উইকেট পাওয়ার পর আমাদের চাপ ধরে রাখা ও দ্রুত আরেকটি উইকেট তুলে নেওয়ার চেষ্টা করা উচিত ছিল। যদিও তারা সত্যিই খুব ভালো ব্যাটিং করেছে। কিন্তু তারপর যখন আমরা ব্যাটিং করলাম, আমাদের পরিস্থিতি বোঝার অভাব ছিল।'
বরাবরের মতো এই ম্যাচেও ব্যর্থ হয়েছেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। এর ফলেই ভালো শুরুর পরও ১৭২ রানে অল আউট হয়ে ৯৯ রানে হারতে হয়েছে টাইগারদের। সিমন্সের ধারণা বাংলাদেশের ব্যাটারদের উচিত ছিল ৫০ ওভার ব্যাটিং করা। এমনটা হলেই বাংলাদেশ ম্যাচ জিততে পারত বলে মত দিয়েছেন বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচের।
তিনি বলেন, 'এটা জানা দরকার ছিল যে ওরকম একটা শুরুর পর আমাদের শুধু ৫০ ওভার ব্যাট করা নিশ্চিত করতে হতো, তাহলেই আমরা ম্যাচটা জিতে যেতাম। সুতরাং এখানে-সেখানে সামান্য কিছু বিষয়, কিন্তু এই ছোটখাটো বিষয়গুলোই যোগ হয়ে ম্যাচ হারিয়ে দেয়। তাই আমরা জানি যে এই ছোট বিষয়গুলোই আমাদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।'