এদিন টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা বেশ ভালো হয়েছিল অনূর্ধ্ব-১৯ দলের। জারিফ সিয়াম ও মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মুহিরের উদ্বোধনী জুটিতে ৩.৫ ওভারেই আসে ৪৩ রান। মুহির ১০ বলে ১১ রান করে ফিরলেও এক প্রান্ত আগলে রাখেন জারিফ। তিনে নামা আদ্রিত করেন ৭ বলে ৫ রান। এরপর মোহাম্মদ আহসান আল মুমিনকে নিয়ে ইনিংস এগিয়ে নেন জারিফ।
ফিফটির পর সেঞ্চুরির দিকেও এগোচ্ছিলেন জারিফ। তবে ৭৬ বলে ৯৯ রান করে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র এক রান দূরে থামতে হয় তাকে। দলীয় ২০০ রানে তার বিদায়ের পর ইনিংসের গতি আরও বাড়ান ফরিদ হাসান ফয়সাল। ৫৩ বলে ৬২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি শেষ পর্যন্ত তিনি।
মুমিন খেলেন ৬৫ বলে ৬৭ রানের ইনিংস। শেষ দিকে রুবায় ইসলাম রিজনের ৩০ বলে ২৬ রানের ইনিংসে ৪৩ ওভারে ৮ উইকেটে ৩২৯ রান তোলে অনূর্ধ্ব-১৯ দল। বল হাতে অনূর্ধ্ব-১৭ দলের ইয়াসিন মজুমদার নেন ৩ উইকেট। পাশাপাশি দুটি উইকেট নিয়েছেন সিফাত আলী। একটি করে উইকেট শিকার করেছেন শাকিবুল শিকদার ও ইমরান ভুইয়া।
জবাবে শুরু থেকেই বিপর্যয়ে পড়ে অনূর্ধ্ব-১৭ দল। ৩ রানেই ফিরে যান দুই ওপেনার আসাদুল্লাহ হিল গালিব ও হাসান। দুজনের কেউই রানের খাতা খুলতে পারেননি। নয়ন বাবু ২২ বলে ৬ এবং সৌরভ কর্মকার ৩ বলে ৪ রান করে ফিরলে চাপ আরও বাড়ে। ইমরান কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও ৪৭ বলে ২৪ রানের বেশি করতে পারেননি।
পরের ব্যাটসম্যানরাও দাঁড়াতে পারেননি। রিফাত হাওলাদার করেন ২৬ বলে ১০ রান, মোহাম্মদ মাজেদুল ২০ বলে ১১ রান করে অপরাজিত থাকেন এবং ইয়াসিন মজুমদার ২৩ বলে ৮ রান। শেষ পর্যন্ত ২৯.১ ওভারে মাত্র ৮৩ রানে অলআউট হয় অনূর্ধ্ব-১৭ দল। ফলে ২৪৬ রানের বিশাল জয় দিয়ে জিডি ট্রফির যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল।
অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বোলারদের মধ্যে শাকিল খান নেন ৩ উইকেট। শেখ আতিকুর রহমান ও তাফিউল আলম তামিম পান ২টি করে উইকেট। আল রাফি, এসকে জারিফ সিয়াম ও মুমিন নেন একটি করে উইকেট।