জিম্বাবুয়ে সফর শেষ করে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) ব্যস্ত সময় পার করছেন মিরাজ। যদিও গল গ্যালান্টসের জার্সিতে ব্যাটে-বলে জ্বলে উঠতে পারেননি বাংলাদেশের অলরাউন্ডার। বর্তমানে জাতীয় দলের ওয়ানডে অধিনায়কের দায়িত্বে আছেন তিনি। অধিনায়ক হিসেবে মিরাজের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ দেশের মাটিতে ভারত সিরিজ। ২০২৫ সালের আগষ্টে বাংলাদেশে আসার কথা ছিল ভারতের।
কিন্তু দুই দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কারণে সিরিজটি ১৩ মাস পিছিয়ে দেওয়া হয়। চলতি বছরও আসবে কিনা সেটা নিয়ে সংশয় কমেনি। তবে জানা গেছে, বাংলাদেশ সফরে আসতে আগ্রহী ভারত। এমনকি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে মৌখিক আলোচনাও শুরু করেছে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই)।
আনুষ্ঠানিকভাবে সবুজ সংকেত পেলেই সূচি প্রকাশ করবে বিসিবি। সবশেষ ২০২২ সালে দেশের মাটিতে ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। আগামী সিরিজেও এমন কিছুর পুনরাবৃত্তি করতে চাইবেন মিরাজ। তবে কাজটা যে একেবারে সহজ হবে না সেটা ভালো করেই জানেন বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক। তবে ঘরের মাঠের কন্ডিশনে নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতে চান তিনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম রেভস্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিরাজ বলেন, ‘(ভারত) সিরিজটি নিয়ে আমরা খুবই উচ্ছ্বসিত। ভারত এলে আমাদের জন্য দারুণ হবে কারণ অনেকদিন ধরেই আমরা ওদের বিপক্ষে ম্যাচ খেলিনি। ভারত খুবই শক্তিশালী দল এবং আমরা জানি আমাদের সামনে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। আমাদের লক্ষ্য থাকবে নিজেদের ঘরের কন্ডিশনে ভালো ক্রিকেট খেলা। সত্যি বলতে, আমরা লড়াইয়ের জন্য মুখিয়ে আছি।’
কদিন আগে জিম্বাবুয়ে সফরে গিয়ে হারলেও দেশের মাটিতে দল হিসেবে ভালো ক্রিকেট খেলছে বাংলাদেশ। সবশেষ কয়েকটি ওয়ানডে সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়েছেন মিরাজরা। এমন সিরিজ জয় নিশ্চিতভাবেই আত্মবিশ্বাস যোগাবে তাদের। মিরাজের চোখ অবশ্য ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের দিকে। প্রতিনিয়ত উন্নতি করে যাওয়ার পাশাপাশি ভিন্ন ভিন্ন কন্ডিশনে মানিয়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জে পাশ করতে চান তিনি।
মিরাজ বলেন, ‘আমার এবং দলের জন্য এটা (অধিনায়কত্ব) গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। গত কয়েকটা সিরিজে আমরা দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলেছি এবং আমাদের খেলোয়াড়রাও খুব ভালো পারফর্ম করেছে। চাপের মুহুর্তগুলো আমরা খুব ভালোভাবে সামলেছি। আগামী বিশ্বকাপটা আমাদের জন্য বড় একটা সুযোগ কারণ প্রত্যেকটা খেলোয়াড়ই দেশের হয়ে বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন দেখে। প্রত্যেকদিনই আমাদের উন্নতি করতে হবে এবং ভিন্ন ভিন্ন কন্ডিশন দ্রুতই মানিয়ে নিতে হবে।’