ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়েন বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। এরপর পুরো সিরিজ থেকেই ছিটকে যান তিনি। এরপর তৃতীয় ওয়ানডেতে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়েন আরেক বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম। বাংলাদেশ আরও বড় ধাক্কা খায় টি-টোয়েন্টিতে।
দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে সাইড স্ট্রেইনের চোটে পড়েন তারকা পেসার নাহিদ রানা। সামনেই বাংলাদেশ দলের অস্ট্রেলিয়া সফর। এই সফরে শরিফুল ও নাহিদকে নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা। বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন মনে করেন জিম্বাবুয়ে সিরিজে বিশ্রাম দেয়াই যেত এই পেসারদের। নাহিদ অস্ট্রেলিয়া সিরিজে খেলতে না পারলে এটা বাংলাদেশের বড় ধাক্কা হবে সেটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি।
শুক্রবার গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে সুজন বলেন, 'সেটা যেতেই পারত (ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট)। শেষ পর্যন্ত তো মুস্তাফিজ, নাহিদ সবাই চোটে পড়েছে। তবে হ্যাঁ, জিম্বাবুয়ে সিরিজে ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট করা যেত। বিশেষ করে আমার মনে হয়, ওয়ানডেতে আমরা সেটা করতে পারতাম। টি-টোয়েন্টিতেও পারতাম।'
সুজন মনে করেন একমাত্র টেস্টে হারের পর বাংলাদেশ সীমিত ওভারের সিরিজে জিততে মরিয়া ছিল। এর ফলেই মূল পেসারদের খেলতে হয়েছে এই সিরিজে। তিনি বলেন, 'ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট করা যেত। কিন্তু প্রথম ম্যাচে হেরে যাওয়ার পরই আমরা ওয়ানডে সিরিজে কিছুটা ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিলাম। সম্ভবত সে কারণেই সিরিজ জেতার জন্য ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কথা ভুলে গিয়েছিল।'
পেসারদের চোট নিত্যনৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সুজনের বিশ্বাস দ্রুতই মাঠে ফিরতে পারবেন এই এক্সপ্রেস পেসার। যদি নাহিদের চোট গুরুতর হয় তবে তাকে যেন জোর করে অস্ট্রেলিয়া সিরিজে খেলানো হয় এই পরামর্শ দিয়েছেন সুজন। নাহিদকে ছাড়াও বাংলাদেশ দল অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ভালো পারফরম্যান্স করবে বলেও বিশ্বাস বাংলাদেশ দলের সাবেক এই কোচের।
তিনি যোগ করেন, 'যদি নাহিদ ইনজুরির কারণে না খেলতে পারে... ফাস্ট বোলারদের ইনজুরি এটা রেগুলার একটা ব্যাপার আসলে। আমি মনে করি যে, যদি নাহিদ না যেতে পারে সেটা আমাদের জন্য একটা ধাক্কা, কিন্তু তারপরও আমার মনে হয় ইনজুরির যদি বেশি থাকে, ওকে একটু সময় দেওয়া উচিত। আমি মনে করি, ও হয়তো সেরে উঠবে। যদি খেলতে পারে, তাহলে খুবই ভালো। আর না খেললেও আমাদের বাকি যারা আছে, তারাও সক্ষম।'