আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ব্রাদার্স করে ৪৫ ওভারে ২০৯। মোহামেডানের সম্মিলিত বোলিং আক্রমণের সামনে সুবিধা করতে পারেনি দলটি। ২৩ বলে ২৩ রান করে তানভীর ইসলামের বলে বোল্ড হন শাহরিয়ার কমল। ৫৪ বলে ২৪ রান করা আদিল বিন সিদ্দিককে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে ফেলেন তাইবুর রহমান।
একই ওভারে ২৩ রান করা সাজিদ হোসেনকেও বিদায় করেন তাইবুর। দলীয় একশর আগে মইনুল ইসলামকে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে ফেলেন নাঈম আহমেদ। তারপর জাহিদুজ্জামানকে (১১) কট এন্ড বোল্ড করেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। ২৩ রান করা ফয়সাল আহমেদ রায়হানকে বোল্ড করেন মুশফিক হাসান।
১৩১ রানে ছয় উইকেট হারানো দলটি পথ খুঁজে পায় সোহাগ গাজীর ৩৫ বলে খেলা ৫০ রানের ইনিংস। শেষদিকে শরিফুল ইসলাম ১৭ এবং নাঈম ইসলাম ১২ রানে অপরাজিত থেকে দলকে দুইশ পার করান।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৫০ রানে তিন উইকেট হারায় মোহামেডান। পাঁচ বলে এক রান করা এনামুল হক বিজয়কে ফেরান শরিফুল। ১৬ বলে ১১ রান করা নাইম শেখকে বোল্ড করেন সোহাগ। শফিকুল ইসলামের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান পারভেজ হোসেন ইমনও।
এরপর ১২৭ রানের জুটি গড়েন হৃদয়-তাইবুর। দুজনই হাফ সেঞ্চুরি তুলে দলীয় দুইশ'র আগে বিদায় নেন। হৃদয় করেন ৮৫ বলে ৮২ রান। ইয়াসিন আরাফাত মিশুর বলে বোল্ড হওয়ার আগে তাইবুর রহমান করেন ১০০ বলে ৭৪ রান। আফিফ ১০ এবং ইয়াসির আলী রাব্বি ৯ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।
দিনের আরেক ম্যাচে রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাবকে ১৮২ রানে হারিয়েছে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স। আগে ব্যাটিং করে ৫০ ওভারে আট উইকেটে ২৮৫ রান তোলে গাজী। দলটির হয়ে ৫৮ বলে ৯২ রান করেন ওপেনার মুনিম শাহরিয়ার। উইকেটরক্ষক সাব্বির হোসেন শিকদার করেন ৭১ বলে অপরাজিত ৭২ রান।
রূপগঞ্জের হয়ে ৬৫ রান খরচায় তিন উইকেট নেন সুমন খান। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩৩.১ ওভারে ১০৩ রান তোলে রূপগঞ্জ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৪ রান আসে শাকির হোসেন শুভ্রর ব্যাটে। মোহাম্মদ রুবেল ৩৫ রান খরচায় চার উইকেট নেন। ১১ রান খরচায় তিন উইকেট নেন আজিজুল হাকিম রনি।