সেই কমিটি তদন্ত শেষে ৯০০ পৃষ্ঠার তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করে বিসিবিতে। সেই রিপোর্ট এরপর তুলে দেয়া হয় বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শালকে। এরপর তিনিও যাচাই বাছাই করে কয়েকজন ক্রিকেটার ও সংশ্লিষ্টদের ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার প্রমাণ পান। সে সময় অবশ্য তিনিও নাম প্রকাশ করেননি কারো।
এদিকে বিপিএলের গত আসরের বিভিন্ন দুর্নীতির বিরুদ্ধেও তদন্তে নেমেছে বিসিবি। এরই মধ্যে সংবাদ সম্মেলনেই জানানো হয়েছে চুক্তি ছাড়াই বিপিএলের গত আসরে অংশ নিয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও সিলেট টাইটান্সের মতো ফ্র্যাঞ্চাইজি। এবার দুর্নীতিতে যুক্ত সন্দেহে চারজনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিসিবি।
এবার জানা গেছে, মো. লাবলুর রহমান (টিম ম্যানেজার) ও মো. তৌহিদুল হক তৌহিদের (ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক) বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন তদন্তে সহযোগিতা না করা, ডিমান্ড নোটিশ না মানা এবং তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ এনেছে বিসিবি। অমিত মজুমদার (ঘরোয়া ক্রিকেটার) ও রেজওয়ান কবির সিদ্দিকীর (টিম ম্যানেজার) বিরুদ্ধে ক্রিকেট ম্যাচে বেটিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।
এ চারজনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং অভিযোগের জবাব দিতে ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে বিপিএলের একাধিক আসরে কথিত দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তদন্তের পর বিসিবির নিষিদ্ধ ব্যক্তি নীতিমালার আওতায় নিষেধাজ্ঞা আদেশ জারি করা হয়েছে।