গত কয়েক বছরে তিন ফরম্যাটেই বাংলাদেশের সাফল্যে অন্যতম বড় অবদান ছিল পেস বোলারদের। টেস্ট ক্রিকেটেও এখন পেসাররাই ম্যাচ জেতান বাংলাদেশকে। ২০২২ সালে নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট জয় কিংবা ২০২৪ সালে পাকিস্তানকে তাদের মাটিতে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করার নেপথ্য নায়ক ইবাদত হোসেন, শরিফুল ইসলাম, নাহিদ রানারাই। পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টেস্টে নামার আগে তাই টেস্ট অধিনায়ককে ভরসা দিচ্ছে শক্তিশালী পেস আক্রমণ।
নিজ দলের পেস বোলিং আক্রমণ নিয়ে শান্ত বলেন, 'পেস বোলাররা অবশ্যই বাড়তি একটা কার্ড হিসেবে আমাকে সাহায্য করবে। কারণ ওরা স্কিল অনুযায়ী অনেক উন্নতি করেছে। যেকোনো কন্ডিশনে এখন ভালো বল করছে, যদি আপনি সাদা বলের ক্রিকেটে দেখেন। সবাই ভালো অবস্থায় আছে।'
পেস বোলার তৈরিতে বরাবরই প্রসিদ্ধ পাকিস্তান। ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনিস, শোয়েব আক্তারদের দেশে দুর্দান্ত সব পেস বোলার উঠে এসেছেন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে। এবারেও শাহীন শাহ আফ্রিদি, মোহাম্মদ আব্বাস, খুররাম শেহজাদদের মত পেসার নিয়ে এসেছে পাকিস্তান। তবুও গত কয়েকবছরের পারফরম্যান্স বিবেচনায় পেস বোলিং বিভাগে বাংলাদেশকেই এগিয়ে রাখতে চান অধিনায়ক শান্ত।
দুই দলের পেস বোলিং আক্রমণের তুলনা প্রসঙ্গে শান্ত বলেন, 'আমরা যখন পাকিস্তান দল নিয়ে কথা বলি সব সময় ওদের পেস বোলিং নিয়ে কথা বলি এটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তারা খুবই ভালো দল এবং খুব ভালো পেস বোলিং আক্রমণ আছে তাদের। কিন্তু গত কয়েক বছর আমাদের পেস বোলাররা যেভাবে বল করছে আমার মনে হয় এটা তাদেরকে একটু কৃতিত্ব দিতেই হবে।'
পেস আক্রমণের শক্তি বিবেচনায় বাংলাদেশকে এগিয়ে রেখে শান্ত বলেন, 'পেস বোলিং ডিপার্টমেন্ট দুই দলেরই ভালো । তবে, আমাকে যদি জিজ্ঞেস করেন আমি বলব যে আমাদের পেস বোলিং আক্রমণ হয়তো সামান্য একটু এগিয়ে আছে।'