সেই সঙ্গে পাকিস্তানকে ১১৪ রানে অল আউট করে দিতেও বড় ভূমিকা রেখেছেন তিনি। এদিন বল হাতে বুদ্ধিদীপ্ত বোলিং করেছেন নাহিদ। শুরুতে ব্যাটারদের দুর্বলতা না দেখে নিজের শক্তির জায়গাতেই ভরসা রেখেছিলেন নাহিদ। আর তাতে হাতেনাতে ফল পেয়েছেন এই পেসার।
নিজের বোলিংয়ের রহস্য জানিয়ে নাহিদ বলেছেন, 'শুরুতে আমি আমার স্ট্রেন্থে থাকার চেষ্টা করি সবসময়। আজকের দিনটা আমি চেষ্টা করছি আমার স্ট্রেন্থ দিয়ে শুরু করার। ব্যাটসম্যানের চেহারা দেখে কিংবা ব্যাটসম্যান আগে থেকে আমি কারে চিনি কিংবা চিনি না ওইটা জিনিসটা দেখিনি। উইকেটে যে জিনিসটা ডিমান্ড করছে আমি ওই জিনিসটাই কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি।'
এরই মধ্যে গতিময় বোলিং করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও আলোচিত নাহিদ। সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে বিভিন্ন সংবাদ সম্মেলনে এই পেসারকে নিয়ে এক ঝাঁক প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়েছে বাংলাদেশের কোচ অধিনায়কদের। অনেকেই তাকে বাংলাদেশের পরবর্তী ব্র্যান্ড মনে করছেন। তবে নাহিদ নিজেকে কী ভাবছেন?
পাকিস্তানের বিপক্ষে নিজের ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং করার পর নাহিদ বলেছেন, ‘আমি নিজেকে কোনো ব্র্যান্ড মনে করি না। আমি নিজেকে মনে করি একটা স্বাভাবিক মানুষ। চেষ্টা করি কীভাবে ভালো ভালো পারফরম্যান্স দিতে পারব।’
এদিন পাকিস্তানের বিপক্ষে শুরুটা বাংলাদেশের অনুকূলে ছিল না। টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ৯ ওভারে কোনো উইকেট হারায়নি পাকিস্তান। এরপর ৭ ওভারের স্পেলে পাকিস্তানের ইনিংস ধ্বংসস্তূপ বানান নাহিদ একাই। ৪১/০ থেকে পাকিস্তানের রান দাঁড়ায় ৬৯/৫ এই ধাক্কা আর সামলে উঠতে পারেনি পাকিস্তান।
নাহিদ অবশ্য কৃতিত্ব দিয়েছেন দুই সিনিয়র পেসার তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমানকে। তাদের প্রশংসায় ভাসিয়ে নাহিদ বলেন, 'আমার যখনই মাঠের মধ্যে সাহায্য লাগে আমি তাদের কাছ থেকে নিই এবং মুস্তাফিজ ভাই আছে, তাসকিন ভাই আছে, তাদের কাছে সবসময় একটা সাহায্য পাই এবং এই জিনিসটা আমাকে অনেক চাপমুক্ত করে।'