৩০৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ধীরগতিতে খেললেও দ্রুতই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করে ইংল্যান্ড। টম ব্যান্টন ও বেন ডাকেটের উদ্বোধনী জুটি ৮০ রান তুলে ফেলে মাত্র ১২ ওভারে। ব্যান্টন নাসিম শাহর এক ওভারেই দুটি ছক্কা ও একটি চার মারেন। ডাকেটকে ৪৫ রানে ফিরিয়ে পাকিস্তানকে প্রথম সাফল্য এনে দেন হারিস রউফ। এরপর ব্যান্টনকে আউট করে ইংল্যান্ডের রান তোলার গতি থামানোর কাজ শুরু করেন মিনহাস।
সেখান থেকেই ইংল্যান্ডের ব্যাটিংয়ে ধস নামে। মিনহাসের দুর্দান্ত বলে বোল্ড হন হ্যারি ব্রুক। জো রুট ও স্যাম কারানের জুটি কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও নাসিম শাহ রুটকে বোল্ড করে সেই জুটি ভাঙেন। পরে কারানও ক্যাচ দিয়ে ফিরলে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ইংল্যান্ড। শেষ পাঁচ উইকেটে মাত্র ৩৮ রান যোগ করে তারা। বল হাতে ৬ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের ইনিংস গুটিয়ে দেন মিনহাস, নিশ্চিত করেন পাকিস্তানের ৮৭ রানের বড় জয়।
এর আগে ত্রিদেশীয় সিরিজের ২য় ম্যাচে প্রথম বলেই ফখর জামান ফিরে গেলে চাপে পড়ে পাকিস্তান। বাবর আজম শুরুতে কয়েকটি বাউন্ডারি মারলেও সাইম আইয়ুব ৮ রান করে আউট হন। এরপর উইল জ্যাকসের বলে বোল্ড হয়ে যান বাবরও। প্রথম ম্যাচে সেঞ্চুরি করা সালমান আঘা ফিরলে ৮১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে স্বাগতিকেরা।
সেখান থেকে হাসান নেওয়াজ ও সাদ বেগের ৭৮ রানের জুটি পাকিস্তানকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করে। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন নেওয়াজ। তিন বলের মধ্যে দুটি ছক্কা হাঁকানোর পর তুলে নেন ফিফটি। তবে গাস অ্যাটকিনসনের বলে সাদ বেগ ফিরলে আবারও চাপে পড়ে পাকিস্তান। এরপর মিনহাস ক্রিজে এসে স্যাম কারানের এক ওভারেই তিনটি চার মেরে রানের গতি বাড়ান।
শেষ দিকে মিনহাস ও ফাহিম আশরাফের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে তিনশর কাছাকাছি পৌঁছে যায় পাকিস্তান। ওয়ানডেতে নিজের প্রথম ফিফটি তুলে নেওয়ার পর টানা তিন বলে তিনটি বাউন্ডারিও মারেন মিনহাস। পরে জেমি ওভারটনের বলে হাসান নেওয়াজের ইনিংস থামে, আর শেষ দুই ওভারে আশরাফও ফিরে যান। তবে শাহিন আফ্রিদি ও হারিস রউফের অবদানে ৩০২ রানের সংগ্রহ পায় পাকিস্তান।