নাইমের ডাবল সেঞ্চুরি, আবরারের দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরির রেকর্ড

এনসিএল
নাইম আহমেদ ও জাওয়াদ আবরার
নাইম আহমেদ ও জাওয়াদ আবরার
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) জমে উঠেছে খুলনা বিভাগ ও চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যকার ম্যাচ। শেষ দিনে জিততে মাত্র ১০১ রান দরকার চট্টগ্রামের। অন্যদিকে খুলনার তুলে নিতে হবে ৫ উইকেট। দিনের শুরু থেকেই দারুণ ব্যাটিং করে নজর কেড়েছেন আজিজুল হাকিম তামিম। তিনি একপ্রান্ত আগলে রেখে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন।

যদিও তামিমের সেঞ্চুরি নিয়ে জেগেছিল শঙ্কা। দলীয় ২৫০ রানের পরই অল আউট হওয়ার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায় চট্টগ্রাম। সেখান থেকেই সফর আলীকে নিয়ে তামিম গড়েন ৬৭ রানের জুটি। এই জুটিতেই শরিফকে টানা দুই ছক্কায় সেঞ্চুরি তুলে নেন তামিম। এরপর আরও ৪২ রান যোগ করেন তামিম। দলীয় ৩২৩ রানে দলের শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন তিনি।

এই জুটির পথে সফর আলী ২১ বলে কোনো রান না করেই অপরাজিত থাকেন। প্রথম ইনিংসে ৪৯ রানে এগিয়ে থাকা চট্টগ্রাম এর ফলে ২৭৫ রানের লক্ষ্য পায়। জবাবে খেলতে নেমে মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদিকুর রহমান মিলে দারুণ শুরু এনে দেন চট্টগ্রামকে। দুজনে মিলে ওপেনিংয়ে যোগ করেন ১২৯ রান। এরপর দ্রুত ভেঙে পড়ে চট্টগ্রামের ব্যাটিং অর্ডার।

তারা দলীয় ১৫৪ রানে যেতে আরও ৪ উইকেট হারায়। জয় ৬০ রান করে আউট হয়েছেন। আর সাদিকুর ১৩১ বলে ৭৬ রানের ইনিংস খেলেন। ইরফান শুক্কুর ১৫ ও শামীম হোসেন ৯ রান করে অপরাজিত আছেন। খুলনার হয়ে একাই ৪ উইকেট শিকার করেন রাকিব হাওলাদার। আর একটি উইকেট পান শেখ মেহেদী হাসান।

আরেক ম্যাচে ব্যাট হাতে চমক দেখিয়েছেন নাইম আহমেদ। আগের দিনই ডাবল সেঞ্চুরির মঞ্চ তৈরি করে রেখেছিলেন রাজশাহীর এই ব্যাটার। তৃতীয় দিন ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নিতে বেশি সময় নেননি তিনি। বাঁহাতি এই ব্যাটার কামরুল ইসলাম রাব্বিকে বাউন্ডারি মেরে প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নেন।

নাইমের ডাবল সেঞ্চুরির পর রাজশাহী ৪৫৭ রানে ইনিংস ঘোষণা করে। নাইম অপরাজিত থাকেন ২৬৭ বলে ২০২ রানের ইনিংস খেলে। তার ইনিংস সাজানো ছিল একটি ছক্কা ও ২৬টি চারে। প্রথম ইনিংসে ২২৮ রান নিয়ে নিজেদের ইনিংস ঘোষণা করেছে রাজশাহী। জবাবে খেলতে নেমে বরিশাল মাত্র ২১ রানে এগিয়ে থেকে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে।

তাদের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২৪৯ রান। অবশ্য দলটির হয়ে আগ্রাসী ব্যাটিং করেছেন জাওয়াদ আবরার। তিনি মাত্র ২২ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এটিই দ্রুততম ফিফটি। ২০১৪-১৫ মৌসুমের জাতীয় লিগে ২৪ বলে পঞ্চাশ করেছিলেন জিয়াউর রহমান।

আবরার সেঞ্চুরিও পেতে পারতেন। তার ইনিংস থেমেছে ৯৪ বলে ৯১ রান করে। আরেক ওপেনার ইফতেখার হোসেন করেছেন ২৬ রান। ৩০ রানে আউট হয়েছেন রাফসান আল মাহমুদ। ফজলে মাহমুদ রাব্বি ৩৩ রান করে ফিরেছেন। ৩৯ করে আউট হয়েছেন হাফিজুর রহমান। শেষ পর্যন্ত ৪৮ বলে ২৮ রান করে অপরাজিত আছেন মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।

আরো পড়ুন: