সিরিজে তিন ইনিংসে ১৯৪ রান করেছেন ম্যাকসুইনি, গড় ৬৪.৬৬। ব্যাটিংয়ের জন্য সহজ ছিল না উইকেটগুলো। তবে স্পিনারদের বিপক্ষে পায়ের ব্যবহার, ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে খেলা এবং সুইপের মতো শটে রান বের করার দক্ষতায় প্রতিপক্ষকে ভুগিয়েছেন তিনি।
সিরিজ শেষে নিজের প্রস্তুতি সম্পর্কে ম্যাকসুইনি বলেন, 'অস্ট্রেলীয় হিসেবে ভারতে আসলে স্পিনের ওপরই বেশি মনোযোগ দিতে হয়। তাই কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি স্পিন কীভাবে খেলতে হয়, তা বুঝতে ভারতের সেরা খেলোয়াড়দের ব্যাটিং দেখি। ইউটিউবে বিরাট কোহলির ব্যাটিং দেখেছি, কীভাবে তিনি খেলেন তা বোঝার চেষ্টা করেছি। স্টিভ স্মিথ এবং এখানে এসে ভালো করা অন্য অস্ট্রেলীয়দেরও দেখেছি। বিশ্লেষক ও পরিসংখ্যান থেকেও অনেক তথ্য পাই। সেগুলো মাঠে কাজে লাগাতে পেরে ভালো লাগছে।'
ভারতের মাটিতে সিরিজ জয়ের গুরুত্বও তুলে ধরেছেন ম্যাকসুইনি। তিনি বলেন, 'ভালো কন্ডিশনে এসে মাঝখানে কিছুটা সময় কাটাতে পেরে আমি খুব খুশি। ভারতের মাটিতে সিরিজ জেতা সহজ নয়। যেকোনো আন্তর্জাতিক দলের জন্যই এখানে এসে শক্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলা কঠিন। আমাদের ছেলেরা ভালো করেছে। সিরিজ জিততে পেরে ভালো লাগছে।'
তবে সফরের শুরুটা ভালো ছিল না ম্যাকসুইনির। ওয়ানডে সিরিজের আগে চার দিনের আনঅফিশিয়াল টেস্ট সিরিজে ভারত ‘এ’-এর কাছে ০-১ ব্যবধানে হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া ‘এ’। সেই সিরিজে কয়েকবার ভালো শুরু পেলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। দুই ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসেই করেছিলেন ত্রিশের ঘরে রান।
টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের মাটিতে প্রথম ইনিংসে বড় রান করার গুরুত্বও বুঝেছেন ম্যাকসুইনি। অস্ট্রেলীয় ব্যাটার বলেন, 'চার দিনের ম্যাচগুলো যারা দেখেছেন, তারা বুঝেছেন সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ব্যাটিং কতটা কঠিন হয়ে উঠেছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে আমি দুটি ত্রিশের ঘরের ইনিংস খেলেছি। তবে ভারতে লম্বা সংস্করণের ক্রিকেটে প্রথম ইনিংসে বড় রান করাটাই গুরুত্বপূর্ণ। তখন ব্যাটিং তুলনামূলক সহজ থাকে, আর বড় স্কোর দলকে ম্যাচ জেতানোর ভিত গড়ে দেয়। আবার ভারতে খেলার সুযোগ পেলে এই জায়গাটিতেই বিশেষ মনোযোগ দেব।'