রেনশ-কামিন্সের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা অস্ট্রেলিয়ার

সাউথ আফ্রিকা-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ
ফাইল ফটো
ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
সাউথ আফ্রিকার পেসারদের তোপে শুরুতেই চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম সেশনেই দুই ওপেনারকে হারানোর পর থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি মার্নাস ল্যাবুশেন ও স্টিভ স্মিথ। ১২৪ রানে ছয় উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়া সফরকারীদের ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ম্যাট রেনশ ও প্যাট কামিন্স। তাদের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে প্রথম দিন শেষে কিছুটা স্বস্তিতে অস্ট্রেলিয়া।

শুক্রবার আলোকস্বল্পতার কারণে ডারবান টেস্টের প্রথম দিনের খেলা নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ হয়। ৬৫.২ ওভার ব্যাটিং করে ছয় উইকেটে ১৮৭ রান করেছে অস্ট্রেলিয়া। রেনশ ৪৮ ও কামিন্স ৩৩ রানে অপরাজিত আছেন। সপ্তম উইকেটে দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটি থেকে এসেছে ৬৩ রান।

টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ইনিংস শুরু করেন নিক ম্যাডিনসন ও ট্রাভিস হেড। ডেভিড ওয়ার্নারের অবসরের পর আবারও ওপেনিং জুটিতে পরিবর্তন আনে সফরকারীরা। প্রায় ১০ বছর পর টেস্ট খেলতে নামা ম্যাডিনসন শুরু থেকেই ছিলেন অস্বস্তিতে। ৩৩ বল খেলে কোনো রান না করেই ফেরেন তিনি। টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার কোনো ওপেনারের শূন্য রানে আউট হওয়ার আগে এত বেশি বল খেলার নজির নেই।

ম্যাডিনসনকে শুরুতে ফেরানোর সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি সাউথ আফ্রিকা। চতুর্থ ওভারে এলবিডব্লিউর আবেদনে সাড়া না পেয়ে পুনর্বিবেচনার আবেদন করেনি স্বাগতিকরা। পরে অবশ্য উইয়ান মুল্ডারের বলে কট বিহাইন্ডের ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন হেড। এরপর মার্কো জানসেনের বলে নিজের উইকেট হারান ম্যাডিনসন। ফলে ২৪ রানেই দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া।

প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ৬০ রানের জুটি গড়েন ল্যাবুশেন ও স্মিথ। আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিংয়ে দুজনই বড় ইনিংসের ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন। যদিও বিরতির আগে ভিয়ান মুল্ডারের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন ৩৭ রান করা ল্যাবুশেন। বিরতির পর দিনের প্রথম দিকেই জানসেনের বলে গালিতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন স্মিথ। তার ব্যাট থেকে আসে ৪৬ রান।

এরপর অস্ট্রেলিয়ার বিপদ আরও বাড়ান অ্যানরিখ নরকিয়া। ৪২তম ওভারে অ্যালেক্স ক্যারিকে দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন তিনি। একই ওভারে ক্রিজে নেমে প্রথম বলেই চার মারেন বেউ ওয়েবস্টার। তবে পরের বলেই কট বিহাইন্ডের ফাঁদে পড়ে ফিরতে হয় তাঁকে। সাউথ আফ্রিকার তিন পেসার নরকিয়া, জানসেন ও মুল্ডার মিলে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ছয়টি উইকেট ভাগ করে নেন।

এরপর আর কোনো উইকেট হারাতে দেননি রেনশ ও কামিন্স। দারুণ দৃঢ়তায় ব্যাটিং করে দিনের বাকি সময় পার করেন দুজন। রেনশ ৪৮ রানের ইনিংসে তিনটি চার মেরেছেন, আর কামিন্সের ৩৩ রানের ইনিংসে রয়েছে পাঁচটি চার।

আরো পড়ুন: