আবুধাবিতে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও এবারই প্রথম টেস্ট খেলছে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষের সঙ্গে বাংলাদেশকে সামলাতে হচ্ছে গরমের চ্যালেঞ্জ। এমনিতে দিনের বেলায় আবুধাবির তাপমাত্রা প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যদিও সেটা অনুভূত হচ্ছে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো। এমন পরিস্থিতিতে টেস্ট খেলাটা কঠিনই।
বিশেষ করে পেসারদের জন্য টানা বোলিং করে যাওয়াটা আরও কঠিন। চাইলেও বোলারদের লম্বা স্পেলে বোলিং করাতে পারছেন না অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। এজন্য কয়েক ওভার বোলিং করিয়ে বিশ্রাম দিতে হচ্ছে পেসারদের। স্পিনারদের ক্ষেত্রেও কাজটা প্রায় একই। ছোট ছোট স্পেলে বোলাররা কিভাবে সুবিধা করতে পারেন সেসব নিয়ে কাজ করছে টিম ম্যানেজমেন্ট।
এ প্রসঙ্গে মুশতাক বলেন, ‘ক্রিকেটারদের চারপাশে বেশ দক্ষ লোকজন কাজ করছেন। এই পরিস্থিতিতে পর্যাপ্ত পানি পান করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া ছোট ছোট স্পেলে বোলিং করানোটাও জরুরি। কারণ এই তীব্র গরমের মধ্যে বল সামলাতে গিয়ে এবং আঙুলের ওপর চাপ পড়ার কারণে আঙুল ও হাত ভীষণ ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই অধিনায়ক ও কোচ হিসেবে আমাদের এমন কৌশল সাজাতে হবে যাতে বোলারদের দীর্ঘ স্পেলের বদলে ছোট ছোট স্পেলে ব্যবহার করা যায়।’
আবুধাবি টেস্টের প্রথম দুই দিনে ব্যাটাররা বাড়তি সুবিধা পেয়েছেন। টস জিতে ব্যাটিং নেওয়ার সময় বাংলাদেশ অধিনায়ক শান্ত জানিয়েছিলেন, তৃতীয় ও চতুর্থ দিনে স্পিনাররা বড় ভূমিকা রাখতে পারেন। সেই ভাবনা থেকে একাদশে তিন স্পিনারও নিয়েছে বাংলাদেশ। মুশতাকও মনে করেন, এখানে স্পিনারদের বড় একটা ভূমিকা থাকবে। এ ছাড়া প্রথম ইনিংসে লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে বেশি রান তুলতে চায় বাংলাদেশ।
মুশতাক বলেন, আমার মনে হয় স্পিনাররা এখানে অনেক বড় একটা ভূমিকা রাখতে যাচ্ছে। বিশেষ করে প্রথম তিনদিন উইকেট কিছুটা ধীরগতির থাকবে এবং স্বাভাবিকভাবেই টার্ন কিছুটা কম হবে। তবে সময় যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এবং এখানকার আবহাওয়ার কারণে পিচ থেকে ক্রমশ বেশি স্পিন মিলতে শুরু করবে। আশা করছি আমরা একটা ভালো স্কোর ডিফেন্ড করতে পারব এবং দ্বিতীয় ইনিংসে আরও বেশি রান তুলে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে পারব।’