এরপর তাকে অস্ট্রেলিয়ায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানেই তাকে উন্নত চিকিৎসার পাশাপাশি পুনর্বাসনের প্রাথমিক ধাপ সম্পন্ন করা হয়। পরীক্ষা নিরীক্ষার পর জানা যায় তার কোনো অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হচ্ছে না। তার চোট দ্রুতই সেরে উঠছে। ফলে খেলার জন্য অনেকটাই প্রস্তুত তিনি।
ইংলিস খেলতে না পারায় সিরিজের প্রথম টেস্টে ডাকা হয়েছিল স্যাম হার্পারকে। পাশাপাশি দলে ফেরানো হয় নিক ম্যাডিনসনকেও। অস্ট্রেলিয়া দলের প্রধান কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড স্পষ্টতই স্বীকার করে নিয়েছিলেন ইংলিসের বিকল্প হিসেবে তাদের দুজন ক্রিকেটারকে নিতে হয়েছে।
ম্যাকডোনাল্ড বলেন, ‘বিষয়টি এমন হয়ে দাঁড়িয়েছিল যে জশ ইংলিসের জায়গায় দুজন খেলোয়াড়কে নিতে হয়েছে। বিষয়টি শুধু আরেকজন ব্যাটসম্যান দলে নেয়ার মতো ছিল না। জশের মাধ্যমে আমরা একাধিক বিকল্প পেতাম। হার্পার ব্যাকআপ উইকেটকিপারের দায়িত্ব নিয়েছে, আর এরপর নিককে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত এসেছে।’
এর আগে আরেকটি বড় দুঃসংবাদ পেয়েছে অজিরা। চোটের কারণে ছিটকে গেছেন ক্যামেরন গ্রিনও। পচেফস্ট্রুমে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে পেটের পেশিতে চোট পান তিনি। দ্বিতীয় টেস্টেও তার খেলা নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। ম্যাকডোনাল্ড জানিয়ে দিয়েছেন গ্রিনকে দ্বিতীয় টেস্টে পাওয়ার সম্ভাবনা কম।
দুজন ক্রিকেটারের চোটের কারণে প্রথম টেস্টের ব্যাটিং অর্ডারেও বড় পরিবর্তন আনতে হয় অজিদের। ওপেনিংয়ে সুযোগ পান ম্যাডিনসন। যদিও ভালো করতে পারেননি তিনি। ৩৩ বলে কোনো রান না করেই আউট হন তিনি। ম্যাট রেনশ খেলেছেন পাঁচ নম্বরে। তিনি মিডল অর্ডারে দলের বিপর্যয়ে দুই ইনিংসেই দারুণ খেলেছেন।