‘আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন সারোয়ার ইমরান’

বাংলাদেশ ক্রিকেট
সারোয়ার ইমরান
সারোয়ার ইমরান
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
‘টুর্নামেন্টের সময় কোচ-অধিনায়ককে সাইজ করলে ভালো রেজাল্ট কীভাবে পাবেন।’ এশিয়ান গেমস চলাকালীন এমন মন্তব্য করেছিলেন সারোয়ার ইমরান। এশিয়ান গেমসে পদক না জিতে দেশে ফেরা বাংলাদেশ নারী দলের প্রধান কোচের এমন মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পাশাপাশি কোচের এমন মন্তব্য ও উগ্র মেজাজ দলের ক্রিকেটারদের ভেতরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন রফিকুল ইসলাম বাবু।

এশিয়ান গেমসের ব্যর্থতার পর নারী দলের সঙ্গে মঙ্গলবার আলোচনা করেছেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল ও নারী উইংয়ের কর্মকর্তারা। বাবু জানিয়েছেন আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফরের প্রস্তুতি ও শৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনা হয়েছে তাদের মধ্যে। এমনকি কোচের মন্তব্য নিয়েও কথা হয়েছে সেখানে। আলোচনা শেষে গণমাধ্যমকে এই তথ্য দিয়েছেন বাবু।

সারোয়ার ইমরানের মন্তব্যকে বেফাঁস ও আচরণবিধি লঙ্ঘন দাবি করে বাবু বলেন, 'আমাদের কোচ কিছু বেফাঁস কথা বলেছেন, যেটা কারো কাম্য ছিল না। আমার মনে হয় আচরণবিধির বাইরে গিয়ে উনি কথাগুলো বলেছেন। যেহেতু সে বিসিবির চুক্তিভিত্তিক জায়গায় আছে, তো সেখানে সে এরকম কথা আসলে বলতে পারে না। এটা বলে ফেলেছে, এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক।'

কোচ বিসিবির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ায় এ ধরনের মন্তব্য করা তার জন্য সমীচীন হয়নি বলেও মনে করেন বাবু। তিনি বলেন, ‘তিনি (সারোয়ার ইমরান) বিসিবির চুক্তিবদ্ধ কোচ। সেখানে তিনি এ ধরনের কথা বলতে পারেন না। এটা বলে ফেলেছেন, যা খুবই দুঃখজনক। আমাদের দেখতে হবে দল কীভাবে আরও ভালো খেলবে, কোথায় আমাদের ঘাটতি আছে।’

সারোয়ার ইমরানের প্রকাশ্য সমালোচনা করে বাবু বলেন, 'কারো কাছ থেকেই কিন্তু বাজে ব্যবহার বা ওই (আচরণ) রকম আশা করি না। উনি (সারোয়ার ইমরান) হয়তো একটু বেশি উগ্র মেজাজী। মানে ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমি বলব যে ঠিক করেননি। সেই কারণে মেয়েরা কিন্তু একটু ডিমোরালাইজ থাকত।'

এদিকে এশিয়ান গেমসের মাঝ পথেই টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব ছেড়ে নিয়েছেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। নেতৃত্ব ছাড়ার আগে বিসিবি সভাপতির সঙ্গে আলোচনার সুযোগ ছিল বলেও মনে করেন বাবু। জ্যোতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন মন্তব্য তিক্ত বিরক্ত হয়ে হয়তো নেতৃত্ব ছাড়ার চিন্তা করেছেন বলে ধারণা নারী উইংয়ের এই চেয়ারম্যানের।

তিনি বলেন, 'আমাদের বোর্ড সভাপতিও বলেছে অন্তত তোমার চেয়ারম্যানের সাথে পরামর্শ করতে পারতা। যতই চাপে থাকুক না কেন হয়ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা বিভিন্ন মন্তব্য দেখে ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে ছেড়েছে। কিন্তু ছাড়ার আগে আমাদের সাথে আলাপ করতে পারতো যে কিভাবে সমাধান করা যায়। সেই জিনিসটা সে (জ্যোতি) করেনি। খুবই দুঃখজনক। সে বুঝতে পেরেছে যে সে ভুল করেছে।'

আরো পড়ুন: