ভারতের মতো দলকে নেতৃত্ব দেয়া সব সময়ই বড় চাপের। সেখানে প্রত্যাশার চাপ থাকবেই। তবে এই চাপকে নেতিবাচক হিসেবে না দেখে এগিয়ে যেতে চান ভারতীয় এই অধিনায়ক। ফলে প্রতিটি ম্যাচেই ভারতের প্রধান লক্ষ্য থাকে নিজেদের আগের পারফরম্যান্সকে ছাপিয়ে যাওয়ার। এশিয়ান গেমসেও সেই লক্ষ্যেই মাঠে নামবে ভারত।
এ প্রসঙ্গে আইয়ার বলেন, ‘এশিয়ান গেমসে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করা এবং একই সঙ্গে অধিনায়কত্ব করা সম্মানের। ভারতকে প্রতিনিধিত্ব করলে সব সময়ই প্রত্যাশা থাকে, আপনাকে শীর্ষে থাকতে হবে। এটা ভালো চাপ। যখন প্রত্যাশা থাকে, তখন আপনি সেটা পূরণ করতে চান। একই সঙ্গে আমার মনে হয়, ফল নিয়ে আমাদের বেশি ভাবা উচিত নয়। দল হিসেবে আমরা নিজেদের জন্য একটি মানদণ্ড ঠিক করেছি। প্রতিটি ম্যাচে সেই মানদণ্ড আরও ওপরে নেওয়ার চেষ্টা করি।’
২০২৮ সালের অলিম্পিকে ক্রিকেট ফিরছে। এশিয়ান গেমসকে সেই প্রস্তুতিরও অংশ হিসেবে দেখছে ভারত। আইয়ারের কাছে তাই প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রতিটি ম্যাচ থেকেই আপনি অনুশীলনের সুযোগ পান। নতুন দলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ পাওয়া যায়। ক্রিকেট যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, প্রতিযোগিতাও বাড়ছে। ক্রিকেটের জন্য এটি ভালো।’
সামনে ব্যস্ত সূচি অপেক্ষা করছে ভারতের সামনে। এশিয়ান গেমসের পরো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ আছে ভারতের সামনে। এই সিরিজগুলোতে নিজেদের ফিটনেস ও মানসিক অবস্থা ধরে রাখতে চান ভারতীয় অধিনায়ক। এ ছাড়া জাপানের কন্ডিশন নিয়েও কথা বলেছেন আইয়ার। তিনি জাপানের উইকেটের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেয়ার তাগিদ দিয়েছেন।
আইয়ার যোগ করেন, ‘আমরা সুযোগ পাব, ম্যাচ খেলার সুযোগ পাব। এশিয়ান গেমসের পরেও অনেক ম্যাচ আছে। তাই আমাদের ভালো ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতি ধরে রাখতে হবে। শুধু আফগানিস্তান নয়, এশিয়ান গেমসে যেকোনো দলের বিপক্ষেই চ্যালেঞ্জ থাকবে। জাপানও আমাদের ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতা দিয়েছে। এখানকার উইকেটকে নির্দিষ্ট কোনো মানদণ্ডে রাখা যায় না। তাই মানিয়ে নেওয়া খুব গুরুত্বপূর্ণ।’