ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান কোচ ড্যারেন স্যামি অবশ্য শুধু ২৪ বছরের খরা কাটানোর সুযোগ হিসেবেই দেখছেন না এই সিরিজকে। ফেব্রুয়ারিতে ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব খেলতে হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। তাই তার চোখে ভারতের বিপক্ষে সিরিজটি বিশ্বকাপের আগে নিজেদের সামর্থ্য যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাও।
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ পায়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। স্বাগতিক সাউথ আফ্রিকার সঙ্গে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ আট দল সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ শেষ করেছে ১০ নম্বরে। ফলে টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব খেলতে হচ্ছে তাদের। ভারতের বিপক্ষে সিরিজ জিতলেও সেই সমীকরণ বদলাবে না। তবে তাদের মূল লক্ষ্য বাছাই পর্বের আগে নিজেদের সেরা অবস্থানে নিয়ে যাওয়া।
এ প্রসঙ্গে স্যামি বলেছেন, ‘২৪ বছর ধরে আমরা ভারতে কোনো সিরিজ জিততে পারিনি। তাই দল হিসেবে নিজেদের চ্যালেঞ্জ জানানোর এবং ওয়ানডেতে আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি, সেটি যাচাই করার দারুণ সুযোগ এটি। আমাদের যে খেলোয়াড়েরা আছে, তাদের জন্য ভারতের বিপক্ষে ভালো করার এবং সিরিজ জেতার চেষ্টা করার এটি দারুণ সুযোগ। ২৪ বছর ধরে আমরা যেটি করতে পারিনি।’
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্রস্তুতিতেও ভারতের বিপক্ষে ভালো পারফরম্যান্সকে গুরুত্ব দিচ্ছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রধান কোচ। তার মতে, বড় কোনো আইসিসি টুর্নামেন্টে সাফল্য পেতে হলে ভারতের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে জিততে জানতে হবে। ভারতের কন্ডিশন সম্পর্কেও বেশ ভালো ধারণা আছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
স্যামির ভাষায়, ‘আপনি যদি বড় কোনো আইসিসি টুর্নামেন্ট জিততে চান, বিশেষ করে সাদা বলের ক্রিকেটে, তাহলে আপনাকে ভারতকে হারাতে হবে। আমরা তাদের নিজেদের দেশে, নিজেদের কন্ডিশনে খেলছি। এখানে ভালো করা এবং জিততে পারলে বিশ্বমঞ্চে আমরা কী করতে পারি এবং দল হিসেবে কতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সক্ষম, সে সম্পর্কে ভালো ধারণা পাওয়া যাবে।’
বিশ্বকাপ বাছাই পর্ব নিয়ে স্যামি আরও বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে বাছাইপর্বের আগে আমাদের এক নম্বর লক্ষ্য হলো দলটাকে আরও ভালোভাবে প্রস্তুত করা। যাতে বাছাইপর্বে গিয়ে নিজেদের বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়ার অবস্থানে রাখতে পারি।’