ইংল্যান্ড দারুণ লড়াই করেও এই লক্ষ্য পেরিয়ে যেতে পেরেনি। তাদের সংগ্রহ থেমেছে ৩০৫ রানে। অথচ ইংল্যান্ডের শুরুটা ছিল দারুণ আক্রমণাত্মক। ওপেনিং জুটিতেই টম বেন্টন ও বেন ডাকেট মিলে তুলে নেন ১৪৩ রান। ২০ ওভারের মধ্যেই লক্ষ্যের প্রায় অর্ধেক রান করে ফেলেছিল ইংল্যান্ড।
ডাকেট ৬৭ এবং ব্যান্টন ৭৩ রান করে আউট হওয়ার পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ইংল্যান্ডের হাতেই ছিল। এরপরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় শ্রীলঙ্কা। দুনিথ ওয়েলালাগে পরপর কয়েকটি উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলে দেন। বেন ডাকেটকে বোল্ড করে শুরু। এরপর বেন্টনকে স্টাম্পিংয়ে ফাদে ফেলেন তিনি।
হ্যারি ব্রুক মাত্র ১ রান করে বাঁহাতি এই স্পিনারের শিকার হন এলবিডব্লিউ হয়ে। ১০ ওভারে ৪৯ রান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৩ উইকেট তুলে নিয়ে লঙ্কানদের ম্যাচে ফেরান ওয়েলালাগে। এরপরও ইংল্যান্ডকে পথ দেখান বাটলার। ব্যক্তিগত ৬৭ রানে সিঙ্গেল নিতে গিয়ে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়েন ইংলিশ অধিনায়ক।
এরপর মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। এরপর আরও কয়েকটি উইকেট হারালে আবারও আঠে ফিরতে হয় বাটলারকে। শেষ দুই ওভারে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ২০ রান। তবে দলের এই রানের প্রয়োজন মেটাতে পারেননি বাটলার। মাত্র ২ রান যোগ করার পর তিনি মিড উইকেটে ক্যাচ ফিয়ে ফেরেন। আর তাতেই ইংল্যান্ডের জয়ের আশা শেষ হয়ে যায়।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন কুশল মেন্ডিস। পাথুম নিশাঙ্কা ২৫ রান করে ফিরলে লঙ্কানদের ওপেনিং জুটি ভাঙে ৪৫ রানে। দ্বিতীয় উইকেটে কামিন্দু মেন্ডিসের সঙ্গে ১৩৭ রানের জুটি গড়ে ইনিংসের ভিত গড়ে দেন মেন্ডিস। কামিন্দু করেন ৫৪ রান। মেন্ডিস এদিন তুলে নেন সেঞ্চুরি। তিনি ১০০ বলে ১২১ রান করেন।
এটি ওয়ানডেতে তার সপ্তম সেঞ্চুরি। এরপর পবন রত্ননায়েকে ৩৯ বলে ৪৮ রান করেন। আর শেষদিকে জানিথ লিয়ানাগে করেন ৩২ রান। তাতেই বড় সংগ্রহ গড়ে ফেলে শ্রীলঙ্কা। ইংল্যান্ডের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন গাস অ্যাটকিনসন, রেহান আহমেদ। একটি উইকেট নিয়েছেন জফরা আর্চার।