জিম্বাবুয়ে সফরে তিন ম্যাচে ১৫১ রান করেছিলেন সূর্যবংশী। তার স্ট্রাইক রেট ছিল অবিশ্বাস্য ১৯৬.১০। এমন পারফরম্যান্সের পর আফগানিস্তান সিরিজেও তাকে দেখার অপেক্ষায় ছিলেন অনেকে। তবে সাঞ্জু স্যামসন সবগুলো ম্যাচে খেলায় বেঞ্চে বসেই তিন ম্যাচ পার করতে হয়েছে সূর্যবংশীকে।
ভারতের কোচ মনে করিয়ে দিয়েছেন, গত কয়েক বছরে জাতীয় দলের হয়ে স্যামসন নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। এমনকি ইংল্যান্ড সিরিজে স্যামসনকে বাদ দিয়ে বৈভবকে খেলানো তার কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্তগুলোর একটি ছিল বলেও জানিয়েছেন তিনি। গম্ভীরের আপাতত লক্ষ্য বিশ্বকাপের ছন্দে ফিরে যাওয়া।
এ প্রসঙ্গে ভারতীয় এই কচ বলেন, ‘স্যামসন দেখিয়েছে সে কী করতে পারে। বিশ্বকাপে কেউ প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড় হয় প্রতিভা ছাড়া, এমনটা হয় না। তাই সে যথেষ্টই করেছে। অবশ্যই তাকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তটা কঠিন ছিল, সম্ভবত কোচিং ক্যারিয়ারে আমার নেওয়া সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত। তবে কখনো কখনো খেলোয়াড়ের বর্তমান ফর্মও বিবেচনায় নিতে হয়। আমার দৃষ্টিতে, আমি বিশ্বকাপে যে সমন্বয় নিয়ে খেলেছিলাম, সেটিতেই ফিরে যেতে চেয়েছি।’
আফগানিস্তান সিরিজে স্যামসনও আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। তিন ম্যাচে দুটি ফিফটিসহ করেছেন ১১৭ রান। গম্ভীর স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন সূর্যবংশীর প্রতিভা নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। তবে নিয়মিত পারফর্ম করা ক্রিকেটাররা নতুন ক্রিকেটারদের চেয়ে একাদশে জায়গা পাওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকবেন বলে জানিয়েছেন গম্ভীর।
তিনি যোগ করেন, ‘বৈভবের ক্ষেত্রে বিষয়টি খুব পরিষ্কার, তাকে সুযোগের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আমরা জানি তার প্রতিভা কতটা, আমরা জানি সে কী করতে পারে। তবে যে খেলোয়াড় দীর্ঘ সময় ধরে দুর্দান্ত করেছে, সে দলে নতুন করে আসা একজনের চেয়ে এগিয়ে থাকবে। বৈভব যখন সুযোগ পাবে, তখন তাকে দীর্ঘ সময় খেলার সুযোগও দেওয়া হবে।’
ভ্য়ারতীয় কোচের মতে বয়স এখানে কোনো বিষয় নয়, সুযোগের অপেক্ষা করতে হয় সবাইকেই। তাই সূর্যবংশীকেও অপেক্ষা করার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, ‘ভারতীয় ক্রিকেট এমনই। আমরা প্রতিযোগিতা চাই, আমরা ড্রেসিংরুমে এমন প্রতিভা চাই। তবে কখনো কখনো ক্রিকেট এমনই হয়। সে ১৫ বছরের হোক কিংবা ৩০ বছরের, সুযোগের জন্য অপেক্ষা করতেই হবে।’