অভিষেক-সাঞ্জুর ঝড়ে আফগানিস্তানকে হারিয়ে সিরিজ ভারতের

আফগানিস্তান-ভারত সিরিজ
অভিষেক শর্মা ও সাঞ্জু স্যামসন, ফাইল ফটো
অভিষেক শর্মা ও সাঞ্জু স্যামসন, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
খারাপ সময়ে দলের হয়ে ব্যাট হাতে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেন সাঞ্জু স্যামসন। তার বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সঙ্গে অভিষেক শর্মার আগ্রাসী সূচনায় দিল্লির ম্যাচটি একতরফা হয়ে যায়। পরে ইশান কিশানের ব্যাটে অনায়াসে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত। আফগানিস্তানকে সাত উইকেটে হারিয়ে এক ম্যাচ আগেই সিরিজ নিশ্চিত করেছে শ্রেয়াস আইয়ারের দল।

ভারতের ১৬০ রান তাড়ার শুরুটাই ছিল ঝড়ের মতো। সাঞ্জু ও অভিষেক মিলে প্রথম ছয় ওভারেই তুলে নেন ৮২ রান। সপ্তম ওভারে রশিদ খানের বলে অভিষেক থামলেও তার আগে মাত্র ১৯ বলে ৩৯ রান করেন তিনি। তার ইনিংসে ছিল চারটি ছক্কা ও দুটি চার। উদ্বোধনী জুটিতে ৮৮ রান যোগ করেন দুজন।

অভিষেক ফেরার পরও থামেনি ভারতের আগ্রাসন। সাঞ্জু নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন মাত্র ২০ বলে। শেষ পর্যন্ত ২২ বলে ৫৭ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন তিনি। সাতটি চার ও চারটি ছক্কায় সাজানো তার ইনিংসটি ছিল দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বড় রানের প্রত্যাবর্তন।

একই ওভারে ভারত আরও একটি ধাক্কা খায়। রশিদের বলে সাঞ্জুর পর ফিরে যান শ্রেয়াস আইয়ারও। তবে তখন ভারতের জয় ছিল সময়ের অপেক্ষা। ইশান ও তিলক ভার্মা আর কোনো বিপদ হতে দেননি। ইশান ৩৮ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয় এনে দেন। তিলকের ব্যাট থেকে আসে ১৫ রান।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে আফগানিস্তান। রহমানউল্লাহ গুরবাজ কোনো রান না করেই ফেরেন। এরপর ইব্রাহিম জাদরান ও দারউইশ রাসুলি কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও ইনিংসের গতি বাড়াতে পারেনি আফগানরা। ইব্রাহিম ৩৭ এবং রাসুলি ২৬ রান করেন।

শেষ দিকে মোহাম্মদ নবি ও রশিদের ছোট দুটি ঝড়ো ইনিংস আফগানিস্তানকে দেড়শ পেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। নবি ১৪ বলে ২০ রান করেন। রশিদ ১৬ বলে করেন ২৮। তাদের ব্যাটে শেষ পর্যন্ত ১৫৯ রানের সংগ্রহ পায় আফগানিস্তান।

ভারতের বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল নিতিশ কুমার রেড্ডি। মাত্র তিন ওভার বল করে ২৪ রান খরচায় তিন উইকেট নেন তিনি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটি তার অন্যতম উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স। আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেও ৭ উইকেটে জিতেছিল ভারত।

আরো পড়ুন: