ইংল্যান্ড সফরে প্রথম দুই টেস্টে বড় ব্যবধানে হারের পর প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ ও বোলিং কোচ উমর গুলকে বরখাস্ত করে পাকিস্তান। একই সঙ্গে সাত ক্রিকেটারকেও দেশে ফেরত পাঠানো হয়। সিরিজের শেষ টেস্টের জন্য হেসনকে প্রধান কোচ এবং অ্যাশলি নাফকে বোলিং কোচের দায়িত্ব দেয়া হয়।
তবে কোচ পরিবর্তনেও ভাগ্য ফেরেনি পাকিস্তানের। বার্মিংহ্যামে শনিবার আট উইকেটে হেরে ইংল্যান্ডের মাটিতে প্রথমবারের মতো তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাই হয়েছে তারা। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে টেস্ট দলের স্থায়ী দায়িত্ব পাওয়ার বিষয়ে নিজের আগ্রহের কথা জানান হেসন।
'অবশ্যই এতে আমি আগ্রহী। টেস্ট ক্রিকেট আমি ভালোবাসি। পাকিস্তানের ক্রিকেট কাঠামোয় যথেষ্ট প্রতিভা আছে। তাদের ভালো দিকনির্দেশনা দিতে পারলে সামনে এগোনো সম্ভব। তবে এক-দুই ম্যাচেই এটা হবে না। এখানে এমন কিছু দক্ষতা আছে, যেগুলো নিয়ে কাজ করার দায়িত্ব নিতে আমি অবশ্যই আগ্রহী।'
কয়েক সপ্তাহ আগে ইংল্যান্ডের প্রধান কোচ হওয়ার দৌড়েও ছিলেন হেসন। ব্রেন্ডন ম্যাককালাম দায়িত্ব ছাড়ার পর তার উত্তরসূরি খুঁজছিল ইংল্যান্ড। তবে সেই আলোচনা প্রাথমিক পর্যায়েই থেমে যায়। শেষ পর্যন্ত স্টিফেন ফ্লেমিংকে দায়িত্ব দেয় ইংল্যান্ড। এরপর হেসন ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত পাকিস্তানের দায়িত্বে থাকার বিষয়ে নিজের অঙ্গীকারের কথা জানান।
তবে টেস্ট দলের দায়িত্ব নেয়ার সিদ্ধান্ত এখনই তার হাতে নেই বলেও জানিয়েছেন হেসন। পিসিবি এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। আপাতত সাদা বলের ক্রিকেটেই মনোযোগ তার। দেশে ফেরার এক সপ্তাহ পরই এশিয়ান গেমস থাকায় সেটিই তার প্রধান লক্ষ্য।
'এই পর্যায়ে আমি কোনো চাকরির প্রস্তাব নিয়ে ভাবিইনি। দেশে ফেরার এক সপ্তাহ পরই এশিয়ান গেমস আছে। সাদা বলের ক্রিকেটে এই মুহূর্তে সেটিই আমার মূল মনোযোগ। সময়টা এলে টেস্ট দল নিয়ে সামনে কী করা যায়, সে বিষয়ে নিশ্চয়ই আলোচনা হবে। নির্বাচকদের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলব।'