ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শেষ টেস্টে প্রথম ইনিংসে ৩২০ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে পাকিস্তান। দুই উইকেট হারিয়ে ৫২ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করে তারা। পরিস্থিতি বিবেচনায় তৃতীয় দিনেই ম্যাচ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। তবে তৃতীয় দিনের শেষ সেশনে ৯ নম্বরে নেমে অভিষিক্ত রাজাউল্লাহর ব্যাটিং পাল্টে দেয় ম্যাচের গতিপথ।
মাত্র ৬৩ বলে ৮১ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন রাজাউল্লাহ। তার ইনিংসে ছিল রেকর্ড ৯টি ছক্কা। তার ব্যাটে ভর করেই পাকিস্তান ম্যাচটিকে চতুর্থ দিনে নিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ১৩০ রানের লক্ষ্য পায় ইংল্যান্ড। শনিবার চতুর্থ দিনের লাঞ্চের আগেই আট উইকেট হাতে রেখে সেই লক্ষ্য পেরিয়ে যায় স্বাগতিকরা।
ম্যাচটি তিন দিনেই শেষ হবে ধরে নিয়ে শুক্রবার সাইমকে সিপিএলে ফেরানোর জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) অনুমতিও পেয়েছিল কিংসমেন। কিন্তু রাজাউল্লাহর ঝড়ের কারণে সেই অনুমান আর বাস্তবে রূপ নেয়নি। ফলে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে এক দিন বেশি ইংল্যান্ডে থাকতে হচ্ছে সাইমকে।
কয়েক দিন আগেও সিপিএলে ব্যস্ত ছিলেন সাইম। তবে ইংল্যান্ড সফরে প্রথম দুই টেস্টে পাকিস্তানের বাজে পারফরম্যান্সের পর দলে বড় পরিবর্তন আনে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। প্রধান কোচ, বোলিং কোচ ও সাত ক্রিকেটারকে দেশে ফেরত পাঠিয়ে নতুন সাতজনকে দলে যুক্ত করা হয়। তাদেরই একজন ছিলেন সাইম।
তবে ২০ মাস পর টেস্ট এবং ১১ মাস পর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ফিরে ব্যাটে-বলে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি তিনি। দুই ইনিংসেই শূন্য রানে আউট হওয়ার পাশাপাশি বল হাতে কোনো উইকেটও পাননি।
সিপিএলে কিংসমেনের হয়ে অবশ্য দ্রুতই ছন্দে ফেরেন সাইম। প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে না পারলেও পরের ম্যাচে আট ছক্কায় ৫৮ বলে ১০২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। এরপরের ম্যাচে দলের জয়ে অপরাজিত থাকেন ২৪ রানে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাকে দলে ফেরানোর অপেক্ষায় ছিল কিংসমেন।