দুই ঘটনায়ই সূর্যবংশী ও জয়সাওয়ালকে যথেষ্ট ছাড় দেয়া হয়েছে বলে মনে করেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার সঞ্জয় মাঞ্জরেকার। তার মতে, এমন আচরণে বারবার ছাড় পেলে তরুণ ক্রিকেটাররা ভবিষ্যতে একই ভুল করার সাহস পেতে পারেন।
মাঞ্জরেকার বলেন, 'প্রিয় আইসিসি ও বিসিসিআই, ভারত ‘এ’ দলের হয়ে বৈভব আর এখন জয়সাওয়াল। এ ধরনের আচরণে যদি বারবার তাদের ছাড় দেয়া হয়, তাহলে এমন আচরণের পুনরাবৃত্তি করতেই তাদের শেখানো হয়। এটি খেলার জন্য ভালো নয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, তাদের নিজেদের ভবিষ্যতের জন্যও এটি ভালো নয়।'
জয়সাওয়ালের ঘটনাটি ঘটে চলতি কলম্বো টেস্টের প্রথম দিনে। তাকে আউট করার পর শ্রীলঙ্কার পেসার আসিথা ফার্নান্ডো উদ্যাপন করছিলেন। ড্রেসিংরুমের পথে যাওয়ার সময় হঠাৎ আসিথার দিকে এগিয়ে যান জয়সাওয়াল। দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মাথা ঝুঁকিয়ে একে অপরের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান তারা। পরে আইসিসি ঘটনাটিকে সংঘর্ষ হিসেবে উল্লেখ করে।
এর কয়েক মাস আগে একই ধরনের ঘটনায় জড়িয়েছিলেন ১৫ বছর বয়সী সূর্যবংশী। শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে ম্যাচে সুপার ওভারে হারের পর মাঠ ছাড়ার সময় তাকে উদ্দেশ করে কিছু বলেছিলেন শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার বিশেন হালাম্বাগে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেই কথায় ক্ষুব্ধ হয়ে হালাম্বাগেকে ধাক্কা দেন সূর্যবংশী।
এদিকে জয়সাওয়ালকে ম্যাচ ফি'র ২৫ শতাংশ জরিমানা করা হলেও সূর্যবংশীকে কোনো শাস্তিই দেওয়া হয়নি। মাঞ্জরেকারের সমালোচনার মূল কারণও এই ছাড় দেওয়ার সংস্কৃতি।
তরুণ ক্রিকেটারদের এমন আচরণে শুরুতেই লাগাম টানা না হলে ভবিষ্যতে তা আরও বড় সমস্যার কারণ হতে পারে বলে মনে করছেন মাঞ্জরেকার। মাঠের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও আবেগ খেলার অংশ হলেও, তা যেন শারীরিক সংঘর্ষ বা অসংযত আচরণে না গড়ায়- সেই দায়িত্ব ক্রিকেটারদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষেরও।