‘এ’ দলের ভিডিও দেখে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন কামিন্সরা

অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ সিরিজ
প্যাট কামিন্স
প্যাট কামিন্স
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
১৮৮৭ সালের পর ঘরের মাঠে হোয়াইটওয়াশ হয়নি অস্ট্রেলিয়া। ডারউইনের মতো ম্যাকাইয়েও যদি বাংলাদেশ জিতে যায় তাহলে ১৩৯ বছর পর দেশের মাটিতে হোয়াইটওয়াশ হতে হবে স্বাগতিকদের। বাংলাদেশের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে প্রস্তুতির ঘাটতি রাখছেন না প্যাট কামিন্সরা। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক নিশ্চিত করেছেন, উইকেটের আচরণ বুঝতে অস্ট্রেলিয়া ও ভারত ‘এ’ দলের ম্যাচের ফুটেজও দেখছেন তারা।

বাংলাদেশকে হারাতে ম্যাকাইয়ে সবুজ ঘাসের উইকেট বানাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। এমনকি গ্যাবা থেকে কিউরেটরও নিয়ে এসেছে তারা। পাশাপাশি ঠান্ডা ও বাতাস থাকায় ব্যাটারদের জন্য কঠিন পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। তবুও উইকেট কেমন হবে সেটা সম্পর্কে ধারণা নিতে অস্ট্রেলিয়া ও ভারত ‘এ’ দলের ম্যাচের ফুটেজ দেখছেন তারা। ২০২৪ সালের অক্টোবরে ম্যাকাইয়ে চারদিনের ম্যাচ খেলে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ ও ভারত ‘এ’ দল।

সেই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১০৭ রানে অল আউট হয়েছিল ভারত ‘এ’ দল। সফরকারীদের মতো দুইশর আগে গুটিয়ে যায় অজিরাও। দ্বিতীয় ইনিংসে অবশ্য সাই সুদর্শনের সেঞ্চুরি ও দেবদূত পাডিকালের হাফ সেঞ্চুরিতে তিনশর বেশি রান তোলে তারা। নাথান ম্যাকসুয়েনি ও বেউ ওয়েবস্টারের হাফ সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ জিতে নেয় ৭ উইকেটে। প্রথম ইনিংসে ছয়টি করে উইকেট নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ান ব্রেন্ডন ডগেট ও ভারতের মুকেশ কুমার।

পুরো ম্যাচে ৩৩ উইকেট পড়লেও স্পিনাররা নিয়েছিলেন মাত্র ৫ উইকেট। যেখানে টড মার্ফি একাই নিয়েছিলেন চারটি। ম্যাকাইয়ের উইকেটে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং করা। দুই দলের দ্বিতীয় ইনিংসের সময় ব্যাটিংয়ের জন্য উইকেট কিছুটা সহজ হতে পারে। কারণ অস্ট্রেলিয়া ও ভারত ‘এ’ দলের ম্যাচের একটি সেঞ্চুরি ও তিনটি হাফ সেঞ্চুরিই এসেছে তৃতীয় ও চতুর্থ ইনিংসে।

উইকেট নিয়ে কামিন্স বলেন, ‘এখানে ভারতের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়া ‘এ’ দলের খেলা হয়েছে, গতকাল আমরা সেই ম্যাচের ফুটেজ দেখেছি। ম্যাচ যত গড়িয়েছে, ব্যাটিং করা তত সহজ মনে হয়েছে। তবে সেটা এক-দুই বছর আগের কথা, এখন উইকেট দেখতে একটু আলাদা। তাই ওইটাকে একটা তথ্য হিসেবে নিচ্ছি, তবে সেটাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়।’

অ্যালেক্স ক্যারি জানিয়েছেন, অস্ট্রেলিয়া যখনই চাপে পড়েছে তখনই দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। গ্রীষ্মের শুরুতে অজিদের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি চাপে ফেলে দিয়েছে বাংলাদেশ। স্বাভাবিকভাবেই ঘুরে দাঁড়াতে নিজেদের সবটা দিয়ে চেষ্টা করবেন কামিন্স, স্টিভ স্মিথরা। কোনোভাবেই দেশের মাটিতে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার লজ্জার মুখে পড়তে চান না কামিন্স।

অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক বলেন, ‘আমাদের জন্য নতুন একটা সপ্তাহ, একেবারে নতুনভাবে শূন্য থেকে খেলা শুরু হবে। আমরা কেবল আমাদের সেরা ক্রিকেটটা খেলতে চাই। ওই রকম কোনো নেতিবাচক রেকর্ড (১৩৯ বছরপর ঘরের মাঠে হোয়াইটওয়াশ) হোক, তা আমরা কোনোভাবেই চাই না।’

আরো পড়ুন: