দিনের শুরুতে ১৯৫ রানের লিড নিয়ে ব্যাট করতে নামে ইংল্যান্ড। আর্চারের ২৫ বলে অপরাজিত ২৩ রানের ঝোড়ো ইনিংসে লিড বেড়ে দাঁড়ায় ২৩৮ রানে। এরপর বল হাতে নেমেই পাকিস্তানের ওপর চেপে বসে ইংল্যান্ডের পেস আক্রমণ। পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুটাও হয় প্রথম ইনিংসের মতোই। ১৩ রানে দুই উইকেট হারানোর পর আবদুল্লাহ শফিক ও শান মাসুদ ৩৮ রানের জুটি গড়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। তবে রবিনসনের বলে শফিককে ফিরিয়ে আবারও পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ে আঘাত করেন ইংলিশ পেসার।
লাঞ্চের সময় পাকিস্তানের স্কোর ছিল ৫৯ রানে ৩ উইকেট। বিরতির পর শুরু হয় জশ টংয়ের তাণ্ডব। প্রথম ইনিংসে ১১ বলে চার উইকেট নেওয়া টং দ্বিতীয় ইনিংসেও অল্প সময়ের মধ্যে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে দেন। প্রথমে সৌদ শাকিলকে ফিরিয়ে পরের ওভারের প্রথম বলেই শান মাসুদকে আউট করেন তিনি। একই ওভারে পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আগাকেও ফেরান টং।
এরপর দ্রুতই বাকি ব্যাটারদেরও ফিরিয়ে দেয় ইংল্যান্ড। অলি রবিনসন আলি উসমানকে ফিরিয়ে নিজের সপ্তম উইকেট নেন। পরের ওভারেই মোহাম্মদ রিজওয়ানকে আউট করে টংয়ের সঙ্গে নিজের উইকেটসংখ্যা আটে নিয়ে যান তিনি।
রিজওয়ান কিছুটা লড়াই করে ৩৯ বলে ৪১ রান করেন। তবে তাঁর বিদায়ের পর আর টিকতে পারেনি পাকিস্তান। গাস অ্যাটকিনসন রিজওয়ানকে ফেরানোর পর তিন বলের মধ্যেই শেষ উইকেটটিও তুলে নেয় ইংল্যান্ড।
শেষ পর্যন্ত ৩৭.৩ ওভারে ১৩৫ রানে অলআউট হয় পাকিস্তান। ফলে এক ইনিংস ব্যবধানে জয় পায় ইংল্যান্ড। দুই ইনিংস মিলিয়ে রবিনসন ও টংয়ের ঝুলিতে আটটি করে উইকেট, আর আর্চারের তিন উইকেট—ইংল্যান্ডের পেস আক্রমণের দাপটেই হেডিংলিতে বড় জয় পেল রুটের দল।