টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে আছেন তারই সতীর্থ ইশান কিশান। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ৮১ রানের ইনিংস খেলে ৯১৬ রেটিং পয়েন্টে উঠেছিলেন তিনি, যা টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ ব্যাটিং রেটিং। সিরিজ শেষে কিছুটা কমে তার রেটিং দাঁড়িয়েছে ৯১০। তবুও দ্বিতীয় স্থানে থাকা পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহানের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে আছেন তিনি। ফারহানের রেটিং ৮৪৮।
৫৩৬ রেটিং নিয়ে সূর্যবংশী এখনও অভিজ্ঞ সতীর্থদের থেকে অনেক পিছিয়ে থাকলেও, কিশান এখন ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ রেটিংয়ে সূর্যকুমার যাদব (৯০৯) ও বিরাট কোহলির (৯০৯) চেয়েও এগিয়ে।
ভারতের আরও কয়েকজন ক্রিকেটারও টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করেছেন। তিলক ভার্মা দুই ধাপ এগিয়ে ষষ্ঠ স্থানে উঠেছেন। শ্রেয়াস আইয়ার সাত ধাপ এগিয়ে ২৪তম স্থানে পৌঁছেছেন। অন্যদিকে জিম্বাবুয়ে সিরিজে তিন উইকেট নেওয়ার সুবাদে রবি বিষ্ণোই ৩১ ধাপ এগিয়ে বোলারদের তালিকায় ৪১তম স্থানে উঠে এসেছেন।
জিম্বাবুয়ের রায়ান বার্ল ব্যাটারদের র্যাঙ্কিংয়ে ছয় ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ৮৫তম স্থানে পৌঁছেছেন। আর পেসার ব্লেসিং মুজারাবানি ১০ ধাপ এগিয়ে বোলারদের তালিকায় ২৬তম স্থানে উঠে এসেছেন।
এদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ-নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজের পর আইসিসির ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়েও এসেছে পরিবর্তন। নিউজিল্যান্ডের ড্যারিল মিচেল রেটিং হারানোয় আবারও ওয়ানডে ব্যাটারদের শীর্ষস্থান ফিরে পেয়েছেন গিল। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মিচেল এক নম্বরে ছিলেন।
ওয়ানডে বোলিং র্যাঙ্কিংয়ে বড় অগ্রগতি হয়েছে নামিবিয়ার স্পিনার বার্নার্ড স্কলৎজের। নেপাল ও নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ লিগ-২ ত্রিদেশীয় সিরিজে ভালো পারফরম্যান্স করে তিনি পাঁচ ধাপ এগিয়ে সপ্তম স্থানে উঠেছেন।
টেস্ট র্যাঙ্কিংয়েও উন্নতি হয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জাস্টিন গ্রিভসের। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে টানা পাঁচ মেডেন ওভারে উইকেট নেওয়ার কীর্তির পর তিনি বোলারদের তালিকায় ২১ ধাপ এগিয়ে ৪৮তম এবং অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে আট ধাপ এগিয়ে নবম স্থানে উঠেছেন।
এ ছাড়া টেস্ট বোলিং র্যাঙ্কিংয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জেইডেন সিলস পাঁচ ধাপ এগিয়ে ২৪তম এবং পাকিস্তানের মোহাম্মদ আব্বাস নয় ধাপ এগিয়ে ১৭তম স্থানে পৌঁছেছেন। ব্যাটারদের তালিকায় দ্বিতীয় ইনিংসে ক্যারিয়ারের ৩২তম টেস্ট ফিফটির সুবাদে বাবর আজম চার ধাপ এগিয়ে ১৫তম স্থানে উঠে এসেছেন।