মাত্র ১৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূরণ করেন বৈভব। তার ইনিংসে ছিল চারটি চার ও চারটি ছক্কা। তার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৪০ বল হাতে রেখেই জিম্বাবুয়ের ছুঁড়ে দেয়া ১২৬ রানের লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে ভারত। ব্যাট হাতে আক্রমণাত্মক এই ইনিংসই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
সূর্যবংশীর প্রশংসা করতে গিয়ে আইয়ার বলেন, ‘ও ভয়ডরহীন একজন ক্রিকেটার। যেভাবে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যায়, তা সত্যিই অসাধারণ। মাঠে নামলে ওর মধ্যে দারুণ আত্মবিশ্বাস দেখা যায়।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর এটি ছিল এই ফরম্যাটে ভারতের প্রথম ম্যাচ জয়।
এই জয়ে স্বস্তির কথাও বলেছেন আইয়ার, ‘দারুণ লাগছে। সবাই পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলেছে। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম জয় পাওয়ার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। এর চেয়ে বেশি খুশি হওয়া সম্ভব নয়।’
ম্যাচ শেষে টস জিতে আগে বল করার সিদ্ধান্তকেও সঠিক বলে উল্লেখ করেন আইয়ার। তার ভাষ্য, ‘উইকেটে ভালো উচ্চতা থাকবে, সেটা আমরা আগে থেকেই জানতাম। ঠিক সেটাই হয়েছে। মায়াঙ্ক শুরু থেকেই দারুণ বল করেছে। প্রতিপক্ষকে কোনো সুযোগ দেয়নি।’
এদিকে প্রায় দুই বছর পর জাতীয় দলে ফিরে প্রথম বলেই উইকেট নেন মায়াঙ্ক যাদব। জিম্বাবুয়েকে ১২৫ রানে আটকে রাখতে দারুণ বোলিং করেন তিনি। ১৮ রান খরচায় এই পেসার নেন দুই উইকেট।
ম্যাচসেরা হওয়ার পর মায়াঙ্ক বলেন, ‘দলের জয়ে অবদান রাখতে পারলে সব সময়ই ভালো লাগে। তাই এটি আমার জন্য বিশেষ একটি মুহূর্ত। উইকেট খুব ভালো ছিল। ভারতে খেলার অভিজ্ঞতার কারণে এখানে মানিয়ে নিতে সমস্যা হয়নি। প্রথমবার জিম্বাবুয়েতে খেললাম, বলের মুভমেন্ট আমাকে সাহায্য করেছে।’