পাওয়ার হিটিং শেখাতে ক্রিকেটারদের যুক্তরাষ্ট্রে পাঠাচ্ছে পাকিস্তান

পাকিস্তান ক্রিকেট
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পাওয়ার হিটিংয়ের প্রয়োজনীয়তা ক্রমশই বাড়ছে। বলে কয়ে ছক্কা মারার মতো মারকুটে ব্যাটার খুঁজে বের করতে পারছে না পাকিস্তান। ব্যাটারদের পাওয়ার হিটিং দক্ষতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রে এক ঝাঁক ক্রিকেটার পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। ব্যাটিংয়ের দক্ষতাবাড়ানোর পাশাপাশি ফিটনেস নিয়েও বিশেষভাবে কাজ করবেন দেশটির ক্রিকেটাররা।

সাম্প্রতিক সময়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সাফল্য পাওয়ার মূলমন্ত্র ‘পাওয়ার হিটিং’। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিস গেইল, কাইরন পোলার্ড, আন্দ্রে রাসেলরা বিশ্ব জুড়ে এমন মারকাটারি ব্যাটিংজনপ্রিয় করে তুলেছেন। তবে জাতিগতভাবেই এশিয়ার ক্রিকেটাররা একটু পিছিয়ে। যদিও ভারত সেটা থেকে বেরিয়ে এসে অভিষেক শর্মা, প্রিয়ানশ আরিয়া, বৈভব সূর্যবংশীর মতো ক্রিকেটার খুঁজে বের করেছে।

পাকিস্তান অবশ্য সেখানে বেশ পিছিয়ে। গত কয়েক বছরে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পাকিস্তানের ক্রমশই অবনতি হয়েছে। ব্যাটারদের ছক্কা-চার মারার দক্ষতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রে চার মাসের বিশেষ ক্যাম্পের আয়োজন করেছে পিসিবি। পুরো পরিকল্পনা চূড়ান্ত না হলেও মাইক হেসন সেটার খানিকটা ধারণা দিয়েছেন। তবে কাদেরকে নিয়ে সেই ক্যাম্প হবে সেটা জানাননি পাকিস্তানের প্রধান কোচ।

ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে হেসন বলেন, ‘বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়কে আমরা যুক্তরাষ্ট্রে পাঠাচ্ছি। সেখানে পাওয়ার হিটিংয়ের দক্ষতা নিয়ে কিছু কাজ হবে এবং আমরা বিকল্পগুলো খতিয়ে দেখছি। আমাদের কিছু খেলোয়াড় আছে যারা লম্বা সময় ধরে চোটে ভুগছে এবং আমরা ক্রিকেটারদের পাওয়ার হিটিংয়ের বিভিন্ন মেথডের সঙ্গে পরিচয় করাতে চাই। নতুন কিছু ধারণার জন্য তারা একটা জায়গায় ৪ মাস থাকবে।’

চলতি বছরের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ফিজিওথেরাপিস্ট ড. জাভেদ মুঘলকে ডিরেক্টর স্পোর্টস অ্যান্ড এক্সারসাইজ মেডিসিন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের ক্রিকেটে দীর্ঘদিন ধরে ফিটনেস সমস্যার সমাধানে তার দ্বারস্থ হয়েছে পিসিবি। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রে মুঘলের কাছে ক্রিকেটারদের পাঠানো শুধু ফিটনেসের চেয়েও বেশি কিছু।

হেসন বলেন, ‘আমাদের এখানে একটা সমন্বয় রয়েছে। এটা শুধুমাত্র স্ট্রেন্থ অ্যান্ড কন্ডিশনিংয়ের বিষয় নয়। আমাদের এখানে জাভেদ মুঘল এসেছেন এবং তিনি খেলোয়াড়দের ট্রেনিংয়ের পদ্ধতি পরিবর্তন করেছে ও ভিন্নভাবে তাদের মূল্যায়ন করছেন। এই পরিকল্পনার জন্য তারও সময় প্রয়োজন।’

আরো পড়ুন: