স্মিথের ৬ উইকেট, লর্ডসে ১৭ উইকেটের দিনে এগিয়ে ইংল্যান্ড

ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড সিরিজ
ফাইল ফটো
ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
লর্ডস টেস্টের দ্বিতীয় দিনেও ব্যাটারদের জন্য ছিল কঠিন পরীক্ষা। প্রথম দিনে ১৬টি উইকেট পতনের পর দ্বিতীয় দিনে আরও ১৭টি উইকেটের দেখা মিলেছে। পেসারদের দাপটে ভরা ম্যাচে দিনের খেলা শেষে জয়ের পথে এগিয়ে রয়েছে ইংল্যান্ড, আর চাপে পড়েছে নিউজিল্যান্ড।

প্রথম ইনিংসে ২৭ রানের এগিয়ে থাকা ইংল্যান্ড দ্বিতীয়বার ব্যাট করতে নেমে একসময় ছিল শক্ত অবস্থানে। অভিষিক্ত এমিলিও গে ও বেন ডাকেটের উদ্বোধনী জুটিতে ভালো শুরু পায় স্বাগতিকরা। পরে গে ও জ্যাকব বেথেলও দলকে এগিয়ে নেন। তবে দুই উইকেটে ১২৬ রান থেকে হঠাৎ করেই ধস নামে ইংল্যান্ডের ইনিংসে।

মাত্র এক রান যোগ করতেই চার উইকেট হারিয়ে বসে স্বাগতিকরা। এমিলিও গে ৫৭ রান করে ফিরলে দ্রুত বিদায় নেন হ্যারি ব্রুক, জো রুট ও বেন স্টোকস। নিউজিল্যান্ডের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণে মুহূর্তেই ম্যাচে ফিরে আসে সফরকারীরা।

তবে সেই চাপ সামলে দেন জেমি স্মিথ। নিচের সারির ব্যাটসম্যানদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে দলের সংগ্রহ দুইশ ছাড়িয়ে নেন তিনি। ৩৯ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। শেষদিকে অলি রবিনসনের ঝড়ো ব্যাটিংও ইংল্যান্ডকে বাড়তি সুবিধা এনে দেয়।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন নাথান স্মিথ। ডানহাতি এই পেসার ৭০ রানে ছয় উইকেট শিকার করেন। টানা দ্বিতীয় টেস্টে এক ইনিংসে ছয় উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখালেন তিনি। উইল ও’রুর্কি ও কাইল জেমিসনও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তুলে নিয়ে ইংল্যান্ডকে বড় সংগ্রহ গড়তে দেননি।

ইংল্যান্ডের ২২৬ রানের জবাবে নিউজিল্যান্ডের সামনে দাঁড়ায় ২৫৪ রানের লক্ষ্য। কিন্তু রান তাড়ার শুরুতেই ধাক্কা খায় তারা। প্রথম ওভারেই শূন্য রানে ফিরে যান অধিনায়ক টম লাথাম। পরে কেন উইলিয়ামসনও (১৮) বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি।

ডেভন কনওয়ে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও দিনের শেষ ভাগে আরও একটি উইকেট হারায় সফরকারীরা। ফলে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে তিন উইকেটে তাদের সংগ্রহ ৩৬ রান। জয়ের জন্য এখনও প্রয়োজন ২১৮ রান, অন্যদিকে ইংল্যান্ডের দরকার আর মাত্র সাত উইকেট।

লর্ডসের উইকেটে এখনও রয়েছে অসম উচ্চতার বাউন্স। এখন পর্যন্ত ম্যাচে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহই ২২৬ রান, যা ব্যাটিংয়ের কঠিন বাস্তবতাই তুলে ধরছে। এমন পরিস্থিতিতে তৃতীয় দিনে নিউজিল্যান্ডের সামনে অপেক্ষা করছে কঠিন এক পরীক্ষা।

আরো পড়ুন: