এরপরই নড়েচড়ে বসে কানাডা। এর আগে ক্রিকেট কানাডার অর্থায়নও বন্ধ করে দিয়েছিল আইসিসি। কানাডার ক্রিকেট বোর্ড ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে জানিয়েছে, নিয়মিত পর্যালোচনায় প্রশাসনিক কাঠামো, আর্থিক তদারকি এবং বিভিন্ন নির্বাহী প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইসিসি। ক্রিকেট কানাডার এই সংকটের পেছনে রয়েছে মাঠের বাইরের দীর্ঘ অস্থিরতা।
সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সালমান খানের নিয়োগ ও পরে অপসারণের ঘটনাও এর অংশ। নিয়োগের সময় আগের ফৌজদারি অভিযোগের তথ্য গোপন করায় বিষয়টি আইসিসির নজরে আসে। পরে ক্যালগারি পুলিশ তার বিরুদ্ধে চুরি ও জালিয়াতির অভিযোগ আনে। যদিও এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সালমান খান।
মে মাসে নতুন নয় সদস্যের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি নির্বাচিত হন অরবিন্দর খোসা। নতুন বোর্ড এখন আগের সময়ের অনিয়ম থেকে নিজেদের আলাদা করে দেখাতে চাইছে। ক্রিকেট কানাডার চিফ অপারেটিং অফিসার ভাবজিত জওহর বলেছেন, ‘বেশির ভাগ সমস্যা নতুন বোর্ড দায়িত্ব নেয়ার আগের সময়কার। আইসিসির উত্থাপিত প্রশাসনিক ও আর্থিক উদ্বেগের অধিকাংশই এপ্রিল ও মে মাসের নির্বাচনের আগের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত।’
তিনি জানান, নতুন বোর্ড ইতোমধ্যে কাঠামোগত ও প্রশাসনিক সংস্কার শুরু করেছে এবং আইসিসির সব শর্ত পূরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রথম ধাপ হিসেবে আইসিসির কাছে একটি সংশোধনমূলক ও প্রতিরোধমূলক কর্মপরিকল্পনা জমা দিয়েছে ক্রিকেট কানাডা। এতে অতীতের প্রশাসনিক ও আর্থিক ত্রুটির বিশ্লেষণের পাশাপাশি স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার পরিকল্পনাও রয়েছে।