১৪০ রানে অল আউট ইংল্যান্ড, স্বস্তিতে নেই নিউজিল্যান্ডও

ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড সিরিজ
নিউজিল্যান্ডের টপ অর্ডার গুঁড়িয়ে দিয়েছেন ওলি রবিনসন
নিউজিল্যান্ডের টপ অর্ডার গুঁড়িয়ে দিয়েছেন ওলি রবিনসন
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
আগুনে বোলিংয়ে ইংল্যান্ডের ব্যাটারদের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেললেন কাইল জেমিসন। ডানহাতি পেসারের বিপক্ষে কোনো জবাবই দিতে পারলেন না তারা। দুর্দান্ত বোলিংয়ে জেমিসন একাই নিলেন পাঁচ উইকেট। বাকি কাজটা সারলেন উইলিয়াম ও’রুর্কে ও নাথান স্মিথ। নিউজিল্যান্ডের পেসত্রয়ীতে প্রথম ইনিংসে ১৪০ রানেই গুটিয়ে গেল ইংলিশরা। ব্যাটিংয়ে নেমে স্বস্তিতে নেই সফরকারীরাও। ৬১ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড। লর্ডসে প্রথম দিনেই নেই ১৬ উইকেট। ৭৯ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় দিন আবারও ব্যাটিংয়ে নামবে সফরকারীরা।

লর্ডসে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি ইংল্যান্ড। কাউন্টি ক্রিকেটে ভালো করার ফলে ইংল্যান্ড জাতীয় দলে ডাক পেয়েছিলেন এমিলিও গে। ইতালির হয়ে তিন টি-টোয়েন্টি খেলা ব্যাটারের টেস্ট অভিষেক হলো নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। তবে অভিষেকটা রাঙাতে পারেননি তিনি। জেমিসনের বলে আউট সাইড এজ হয়ে ফিরতে হয়ে এমিলিওকে। ১৪ বলে ৮ রানের বেশি করতে পারেননি বাঁহাতি এই ব্যাটার।

দশম ওভারের পর বৃষ্টি হানা দেয়। বৃষ্টি শেষে ব্যাটিংয়ে নেমেই ফিরতে হয় বেন ডাকেটকে। ১৯ রান করা ওপেনারকে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে ফেলেন স্মিথ। পরের ওভারে আউট হয়েছেন জ্যাকব বেথেল। আইপিএলে রান না পাওয়া বাঁহাতি ব্যাটার ব্যর্থ জাতীয় দলের জার্সিতেও। ২২ বলে ৬ রান করেছেন। ইংল্যান্ডের ব্যাটিংয়ের কাণ্ডারি জো রুট আউট হয়েছেন একটু পরই।

৮ বলে ১ রান করা ডানহাতি ব্যাটারকে ফেরান ও’রুর্কে। ডানহাতি পেসারের ব্যাক অব লেংথ ডেলিভারিতে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন। টিকতে পারেননি জেমি স্মিথও। ৫৫ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর হ্যারি ব্রুক ও বেন স্টোকস মিলে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে দলের রান একশ হওয়ার আগে ফেরেন স্টোকস। জেমিসনের বলে স্লিপে দারুণ এক ক্যাচ নেন উইলিয়ামসন।

ইংল্যান্ডের অধিনায়ক আউট হয়েছেন ২৩ বলে ১২ রানে। তবে আক্রমণাত্বক ব্যাটিংয়ে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন ব্রুক। যদিও ছক্কা মারার চেষ্টায় তাকে ফিরতে হয়েছে ৭১ বলে ৫৬ রান করে। বাকিদের কেউই সুবিধা করতে না পারায় ১৪০ রানে অল আউট হয় ইংল্যান্ড। জাতীয় দলে ফেরার ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৬২ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন জেমিসন। ও’রুর্কে দুইটি ও স্মিথ তিনটি উইকেট নিয়েছেন।

ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি নিউজিল্যান্ডেরও। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ডেভন কনওয়ে, কেন উইলিয়ামসন ও রাচিন রবীন্দ্রকে বিদায় করেন ওলি রবিনসন। কনওয়ে ও রাচিন আউট হয়েছেন লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে। রবিনসনের ফুলার লেংথ ডেলিভারিতে লেগ স্লিপে এমিলিওর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন উইলিয়ামসন। এক ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে রীতিমতো চাপে পড়ে কিউইরা। সেখান থেকে অবশ্য আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি সফরকারীরা।

একটু পর টম লাথামকে বিদায় করেন গাস অ্যাটকিনসন। ডানহাতি পেসারের বলে লেগ বিফোর উইকেট হয়েছেন বাঁহাতি এই ওপেনার। ড্যারিল মিচেল বোল্ড হয়ে ফেরেন রবিনসনের বলে। পরবর্তীতে টম ব্লান্ডেলের উইকেট নিয়েছেন জশ টাং। ২৯ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর বাকিটা সময় সামলে নিয়েছেন গ্লেন ফিলিপস ও স্মিথ। ৩১ রানে অপরাজিত আছেন ফিলিপস। ইংল্যান্ডের হয়ে ১০ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন রবিনসন।

আরো পড়ুন: