ঘরোয়া ক্রিকেটে পারফরম্যান্স করার ফলে ২০২৩ বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফিতে ভারতের টেস্ট দলের হয়ে অভিষেক হয় ভারতের। এখনো পর্যন্ত জাতীয় দলের জার্সিতে সাত টেস্ট খেলেছেন ডানহাতি উইকেটকিপার ব্যাটার। যেখানে ১২ ইনিংসে ২০.০৯ গড়ে ২২১ রান করেছেন। সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে।
উইকেটকিপার হিসেবে ১৯টি ডিসমিসালও আছে ভারতের। ২০২৩ সালে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালেও ছিলেন তিনি। তবে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারির পর থেকে ভারতের হয়ে আর কোনো ম্যাচ খেলা হয়নি তার। ঠিক কী কারণে অবসর নিয়েছেন সেটা খোলাসা করেননি ভারত। বিদায়ী বিবৃতিতে জানিয়েছেন, টেস্টে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার সম্মানটুকু ছিল প্রতিটি মুহূর্তের জন্য মূল্যবান।
এ প্রসঙ্গে ভারত বলেন, ‘গর্বিত হৃদয় ও কৃতজ্ঞতার রেশ নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে আমার অবসরের ঘোষণা করছি। দেশের হয়ে খেলা আমার জন্য ছিল জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্মান। আমার এই যাত্রাপথে অসাধারণ সহনশীলতা ও শক্তির প্রয়োজন হয়েছে, কিন্তু টেস্টে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার সম্মানটুকু ছিল প্রতিটি মুহূর্তের জন্য মূল্যবান।’
‘চারজনের একটি পরিবারে, আমরা সবাই দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে একই স্বপ্নকে লালন করেছি। আমার বোন, মা এবং বাবাকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ, তারা একটি পরিবেশ ও সহায়ক ব্যবস্থা তৈরি করেছেন। তাদের ভালোবাসা, শৃঙ্খলা এবং কঠোর পরিশ্রমেরই ফসল আমি।’
২০১৫ সালে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসে সুযোগ পেলেও ম্যাচ খেলা হয়ে উঠেনি ভারতের। আইপিএলে প্রথমবার ম্যাচ খেলেন ২০২১ সালে রয়্যালস চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর জার্সিতে। পরবর্তীতে খেলেছেন দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়েও। সবমিলিয়ে ১০ ম্যাচে ১২২.০৮ স্ট্রাইক রেটে ১৯৯ রান করেছেন। ২০২৪ সালে ম্যাচ না পেলেও কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে শিরোপা জিতেছেন।
শেষ বেলায় বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা ও রাহুল দ্রাবিড়কে ধন্যবাদ দিয়েছেন ভারত। এ প্রসঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘আমার স্কিল দেখানো এবং পরিচিত পাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আমার আইপিএল অভিষেক অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে বড় একটা ধন্যবাদ।’
‘ভারত দলে আমার অধিনায়ক রোহিত শর্মাকেও একটা বড় ধন্যবাদ। যার অধীনে আমার টেস্ট অভিষেক হয়েছে, যা কিনা অমূল্য এবং ভাষায় প্রকাশের বাইরে। আমার ভারতীয় কোচ রাহুল দ্রাবিড় স্যারকেও ধন্যবাদ। ভারত ‘এ’ দল থেকে ভারত দল পর্যন্ত আমাকে গাইড করার জন্য। আপনার সাপোর্টের কারণেই আমি টেস্ট ক্রিকেটার হতে পেরেছিলাম।’